NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ | ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ৯/১১ হামলার ২৫ বছর, ‘কখনোই ভুলব না’ বার্তা ট্রাম্পের ‘একটি ছবি তুলতে পারি?’ মোদিকে ঘিরে ব্রিকস প্রতিনিধিদের ভিড় এক ভিসায় সৌদি-আমিরাতসহ ৬ দেশ, মধ্যপ্রাচ্যে আসছে ‘শেনজেন’ সুবিধা বাংলাদেশকে নিয়ে আয়োজিতব্য প্রথম ফিফা টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পরিদর্শনে এনডিসির এএফডব্লিউসি প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি মোদি-পুতিন মেগাবৈঠক আজ, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি চুক্তিতে বিশেষ নজর ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পরেও শেষ হয়নি গোয়েন্দা ব্যর্থতার বিতর্ক বার্সেলোনার ‘রত্নকে’ নিতে চায় চেলসি
Logo
logo

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে হাফটাইম শো


Shibbir Ahmed   প্রকাশিত:  ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ এএম

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে হাফটাইম শো

ক্রীড়া ডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো ফাইনাল ম্যাচে আয়োজন করা হচ্ছে বর্ণাঢ্য হাফটাইম শো। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবল ও সংগীতের এক অনন্য সমন্বয় দেখতে পাবেন বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে বিরতির সময় বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ আয়োজনের শিল্প নির্দেশনায় রয়েছেন ব্রিটিশ ব্যান্ড কোল্ডপ্লের প্রধান কণ্ঠশিল্পী ক্রিস মার্টিন। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় শিল্পী ম্যাডোনা, শাকিরা, জাস্টিন বিবার এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। এছাড়া অংশ নেবেন বার্না বয়, গুস্তাভো দুদামেল এবং পিএস২২ কোরাস।

ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপ ফাইনালকে আরও আকর্ষণীয় ও বৈশ্বিক বিনোদনের পরিসরে নিয়ে যেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেও এই আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এই হাফটাইম শোর কারণে ফাইনাল ম্যাচের বিরতির সময় প্রচলিত ১৫ মিনিটের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মঞ্চ প্রস্তুতি, পরিবেশনা এবং তা অপসারণের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই নতুন সংযোজন নিয়ে ইতোমধ্যে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই এটিকে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে বিনোদনের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ দীর্ঘ বিরতির কারণে ম্যাচের ছন্দ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। ফিফা আশা করছে, এই ব্যতিক্রমী আয়োজন বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া ও সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসবে পরিণত করবে।