NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুলাই ১২, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটর করছেন : মাহদী আমিন ট্রাম্পের উপহারের বিমান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ, সাংবাদিকদের তলব তিব্বতে চীনের নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘে বিক্ষোভ, আটক ৩ বেলিংহামের ঝলকে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, বিদায় নরওয়ের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স
Logo
logo

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন ৮ আগস্ট, কমিটি গঠন


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০৭ এএম

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন ৮ আগস্ট, কমিটি গঠন

নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী ৮ আগস্ট উদযাপন করা হবে। যথাযোগ্য মর্যাদা, আন্তর্জাতিক সংহতি এবং গণতান্ত্রিক চেতনার আলোকে দ্বিতীয় বার্ষিকী ‘জুলাই স্মরণ’ উদযাপনের লক্ষ্যে ৮ জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের কাবাব কিং রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান প্যাট্রিয়টস এর উদ্যোগে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন এ. কে. আব্দুল কাদের।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শেখ মিজানকে প্রধান করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ড. আবিদ বাহার, ডা. জুনুন চৌধুরী, মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, রহমত উল্লাহ, হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, এমদাদ চৌধুরী দীপু, মিসবাহ উদ্দিন আহমদ, এ. কে. আব্দুল কাদের, আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল করিম, নূরুল হক চৌধুরী, জাবেদ আহমদ, আব্দুল আলীম এবং দীপন গাজী।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জুলাই বিপ্লব বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়, যা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন এক দিগন্তের সূচনা করেছে। শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহত সংগ্রামীদের অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বক্তারা বলেন, দ্বিতীয় বার্ষিকীকে কেবল একটি স্মরণানুষ্ঠান নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস, মানবিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে পৌঁছে দেওয়ার একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
আয়োজকরা জানান, ৮ আগস্ট শনিবার দুপুর ১২ থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত দিনব্যপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে থাকবে, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও বিশেষ দোয়া, শহীদ ওসমান বিন হাদি এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতিচারণ, দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী সংগীত, ইসলামী নাশীদ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। আন্তর্জাতিক স্মরণ, শ্রদ্ধা ও ঐক্য অনুষ্ঠান : “জান দেবো, কিন্তু জুলাই দেবো না”, শহীদ ওসমান বিন হাদির স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত। “ভয়াবহতা থেকে বিজয়: জুলাই বিপ্লব” শীর্ষক আর্ট, আলোকচিত্র ও ঐতিহাসিক প্রদর্শনী। ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন। উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক পর্ব, গণসংগীত, আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক কবিতা ও বিপ্লবভিত্তিক পরিবেশনা।
আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাঙ্ক সেশন, যেখানে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শান্তি ও নিরাপত্তা, রসায়ন ও মানববিজ্ঞান, গণিত ও ডাটা অ্যানালিটিক্স, প্রযুক্তি এবং ইতিহাস ও সামাজিক মনোবিজ্ঞান বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা “প্রতিরোধ থেকে পুনর্গঠন” প্রতিপাদ্যে আলোচনা করবেন। বিশিষ্ট অতিথিদের বক্তব্য, গণমাধ্যম সাক্ষাৎকার, আর্ট ও ফটো গ্যালারি পরিদর্শন এবং কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং। জুলাই বিপ্লবের বীর যোদ্ধা, শহীদ পরিবার, আহত সংগ্রামী, মানবাধিকার কর্মী, কমিউনিটি সাংবাদিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মাননা প্রদান। মহা ঐক্য ঘোষণা, সমাপনী বক্তব্য, বিশেষ দোয়া এবং জাতীয় ঐক্যের অঙ্গীকারের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, গবেষক, নীতিনির্ধারক, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার বার্তা তুলে ধরা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ও ড. শেখ মিজান উৎসবমুখর ও গৌরবময় পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সফল করতে সকল প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, গণমাধ্যম, মানবাধিকারকর্মী এবং সর্বস্তরের জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয, সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উই আর দ্য পিপলস’ এর প্রধান জ্যাকব মিল্টন, কবি কাজী জহিরুল ইসলাম , ড. নিজাম উদ্দিন (NYU), ডা. জুনুন চৌধুরী (নিউরোলজি অ্যান্ড সাইকিয়াট্রি), প্রফেসর শেখ মিজান, ড. শামীম আহমেদ (ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস), ড. কাওসার আহমেদ (NYU), গোলাপী বেগম, রুকসানা, এমদাদ চৌধুরী দীপু (বাংলাদেশ ফোরাম), কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট হাজী আনোয়ার হোসেন, রকস্টার ব্যান্ডের ভোকাল বিপ্লব, শাহ ইসলাম, এমডি আশিক, এমডি আরমান, এমডি শফিক, এমডি রেজাউল করিম এবং দীপন গাজীসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।