NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২৬ | ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন শুরু, বক্তব্য দিলেন প্রধানমন্ত্রী বাবার শেষ বিদায়ে উপস্থিত ছিলেন মোজতবা খামেনি বিষাক্ত ইনজেকশনেও বেঁচে গেলেন নারী, এখন কী হবে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে ব্রোঞ্জও খোয়াল বাংলাদেশ ‘জেলার ২’-এর সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে পিছিয়ে গেল ‘ওম’ রাশিয়া থেকে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি দেশে আসছে আজ ইরান যুদ্ধের মধ্যে ‘কিছু’ অস্ত্রের মজুত কমেছে : ট্রাম্প জাতীয় পতাকা, সেনাবাহিনী, সংসদ সবই আছে, নেই শুধু দেশটাই! ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, বন্ধ প্রায় ৪০০ স্কুল মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পারমাণবিক ক্ষতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রকে আরও পদক্ষেপের আহ্বান জাতিসংঘের
Logo
logo

নিজের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি জানিয়েছিলেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২০ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

নিজের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি জানিয়েছিলেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর নামে একটি বিদ্যালয়ের নামকরণের প্রস্তাব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে নিজের নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের উদ্যোগ না নিতে শিক্ষা সচিবকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। 

এ বিষয়ে গত ১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে একটি আধা-সরকারি (ডিও) পত্র পাঠান তিনি।

পত্রে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে ও স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তার নামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন, যা তার কাছে অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পরিচিতি ও স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ণ রাখাই অধিকতর সমীচীন।

তিনি আরও জানান, শিবগঞ্জ-মোকামতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান, নিজ অর্থে জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন। তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত বা উন্নয়ন করা হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে- মীরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৯৭), বেতগাড়ি মীরবাড়ি সরকারি এতিমখানা (২০০৪), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (২০০১), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয় (২০০৪), তিয়াইল মীর লাবনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (২০১২), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম মৎস্য ও কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (২০১৩), বেতগাড়ি মীর মাহাতাব-শাহে আলম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা (২০২৩), মোকামতলা মীর শাহে আলম-ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয় (২০২৩), কিচক মীর শাহে আলম কলেজ (২০২৩) এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউট (২০২৫)।

পত্রের শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে অনুরোধ করেন, উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে তার বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন না করা হয়। একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

চিঠির অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী; বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।