NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, অক্টোবর ৩, ২০২৬ | ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন শুরু, বক্তব্য দিলেন প্রধানমন্ত্রী বাবার শেষ বিদায়ে উপস্থিত ছিলেন মোজতবা খামেনি বিষাক্ত ইনজেকশনেও বেঁচে গেলেন নারী, এখন কী হবে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে ব্রোঞ্জও খোয়াল বাংলাদেশ ‘জেলার ২’-এর সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে পিছিয়ে গেল ‘ওম’ রাশিয়া থেকে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি দেশে আসছে আজ ইরান যুদ্ধের মধ্যে ‘কিছু’ অস্ত্রের মজুত কমেছে : ট্রাম্প জাতীয় পতাকা, সেনাবাহিনী, সংসদ সবই আছে, নেই শুধু দেশটাই! ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, বন্ধ প্রায় ৪০০ স্কুল মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পারমাণবিক ক্ষতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রকে আরও পদক্ষেপের আহ্বান জাতিসংঘের
Logo
logo

‘পেট প্রজেক্ট’ নয় সরকার ‘ই-হেলথ কার্ডে’ জোর দিচ্ছে-স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

‘পেট প্রজেক্ট’ নয় সরকার ‘ই-হেলথ কার্ডে’ জোর দিচ্ছে-স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, প্রথাগত বড় বড় বিল্ডিং বা অবকাঠামো নির্মাণের ‘পেট প্রজেক্ট’ থেকে বের হয়ে বর্তমান সরকার ‘ই-হেলথ কার্ড’-এর মতো প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্য খাত গড়তে বদ্ধপরিকর।

গতকাল রবিবার বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ এবং আর্ক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘অর্থবছর ২০২৬-২০২৭ : স্বাস্থ্য বাজেটের ওপর নাগরিক সমাজের ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বক্তব্যের শুরুতেই স্বাস্থ্য খাতের মাঠপর্যায়ের কঠোর বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তৃণমূল থেকে শুরু করে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইনস্টিটিউট সবখানেই অর্ধেক কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চিকিৎসক গায়েব। ১০ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলে পাওয়া যায় ৫ জনকে। ২০ জন ক্লিনার থাকার কথা থাকলেও আউটসোর্সিং কোম্পানিগুলো ভুয়া ক্লিনার দেখিয়ে টাকা তুলে নিচ্ছে। হাসপাতালের গেটে পা রাখতেই সাধারণ মানুষ দালাল-বাটপার ও আউটসোর্সিং স্টাফদের খপ্পরে পড়ে হেনস্থার শিকার হচ্ছে।

’

 

স্বাস্থ্য খাতের প্রশাসনিক দুর্বলতা ও অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণের সমালোচনা করে ড. এম এ মুহিত বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর ধরে আমরা শুধু জরুরি পরিস্থিতি সামলানোর দিকো (ফায়ার ফাইটিং) নজর দিয়েছি, ঠান্ডা মাথায় দীর্ঘমেয়াদি পলিসি তৈরির সুযোগ হচ্ছে না। সিভিল সার্জনরা তাদের আগের দাপট ও ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছেন। কারণ ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ না করে সব ফাইল ডিজি হেলথ ও মন্ত্রণালয়ের বারান্দায় এনে স্তূপ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ৮০ শতাংশ মানুষ এখন ভুল কাজে ব্যস্ত।

’ 

 

এই অচলাবস্থা কাটাতে একটি নতুন প্রজন্মের সিভিল সার্জন তৈরির তাগিদ দেন তিনি।

মন্ত্রী-সচিবদের এলাকায় ‘ই-হেলথ কার্ড’ পাইলটিং করার নেতিবাচক সমালোচনার জবাব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, মন্ত্রী বা সচিবদের এলাকায় পাইলটিং করা হচ্ছে, যেন শতভাগ তদারকি নিশ্চিত করে দ্রুত লার্নিং নেওয়া যায় এবং পরবর্তীতে তা নিখুঁতভাবে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়।

অর্থনৈতিক ও মেধার সক্ষমতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আর্থিকভাবে আমাদের আর অনুদান নির্ভর বা পরমুখাপেক্ষী দেশ হিসেবে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের নিজস্ব অর্থ ও জনবল বিশেষজ্ঞদের ৩০-৫০ বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।

এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের চোখে তিনি বিস্ময় দেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।