NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬ | ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস? বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার জুলাইযোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনলেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩৪ ৭৩তম জন্মদিনে ববিতা, ফিরে দেখা রুপালি পর্দার সোনালি পথচলা বিশ্বকাপ ‘বিক্রি’ বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি
Logo
logo

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে মঙ্গলবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার সুসান রাইল।

তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামরিক  সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, গভীর ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একইসঙ্গে পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা এবং কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ অভিমত ব্যক্ত করেন।