NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩১, ২০২৬ | ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
অসহায় মানুষের পাশে থাকতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাবমেরিন ক্যাবল সুরক্ষায় পানির নিচে ড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করবে আকাস হরমুজে চলাচলকারী জাহাজগুলোর প্রতি ইরানের সতর্কবার্তা টাইব্রেকার রোমাঞ্চে আর্সেনালকে হারিয়ে ফের ইউরোপসেরা পিএসজি অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র সম্পাদক মার্সিয়া লুকাস আর নেই যুক্তরাষ্ট্রে ঈদ আল আযহা উদযাপন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ সুইজারল্যান্ডে ট্রেন স্টেশনে ছুরিকাঘাতে ৩ জন আহত, সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বৈঠকে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ হয়নি কেন শাহরুখ-আলিয়াদের আনফলো করলেন করণ জোহর?
Logo
logo

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বৈঠকে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ হয়নি


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ মে, ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বৈঠকে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ হয়নি

হোয়াইট হাউসে উপদেষ্টাদের সঙ্গে শুক্রবার (২৯ মে) দুই ঘণ্টার বৈঠক করেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা না রাখার বিষয়ে সম্মত হতে হবে, হরমুজ প্রণালী ‘উভয় দিকে অবাধ জাহাজ চলাচলের জন্য’ পুনরায় খুলে দিতে হবে এবং এই জলপথে থাকা সমস্ত মাইন ‘ধ্বংস’ করতে হবে।

শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ইরান জানিয়েছিল, তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা করছে না।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, বৃহস্পতিবার দুই দেশ সমঝোতা স্মারক নামের একটি চুক্তির কাঠামোতে সম্মত হয়েছে, যা ট্রাম্প ও ইরানের নেতৃত্বের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

 

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিরতি ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।

বিবিসির মার্কিন সংবাদ সহযোগী সিবিএস নিউজকে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল এমন একটি চুক্তিই করবেন, যা আমেরিকার জন্য মঙ্গলজনক এবং তার অলঙ্ঘনীয় শর্তগুলো পূরণ করে। আর সেটি হচ্ছে ইরান কখনোই পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে না।’

৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প বারবার বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে এবং আলোচনা এগোচ্ছে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বাস্তব ফল পাওয়া যায়নি।

 

শুক্রবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি হরমুজ প্রণালীর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ তুলে নিতে প্রস্তুত, যাতে এই জলপথে আটকে পড়া জাহাজগুলো ‘ঘরে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করতে’ পারে!

তিনি আরো জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ ও ধ্বংস করার অনুমতি দিতে হবে। ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ লেনদেন হবে না,’ বলেও মন্তব্য করে ট্রাম্প। তবে এর চেয়ে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

পরে, হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন যে সিচুয়েশন রুমের বৈঠকটি শেষ হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

 

ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য ছিল ‘সত্য ও মিথ্যার মিশ্রণ’। সমঝোতা স্মারকে পারমাণবিক উপকরণ ধ্বংস করার কোনো বিধান ছিল না বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, তারা ‘যুদ্ধ শেষ করার দিকে মনোনিবেশ করছে এবং পারমাণবিক বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না’।

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, ইরান যেন উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদন বন্ধ করে এবং তাদের কাছে থাকা বর্তমান মজুদ ধ্বংস করে দেয়, যা তাত্ত্বিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ইরান জোর দিয়ে বলে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা সব সময় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টার কথা অস্বীকার করে।