NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

শান্তিচুক্তির ৩০ দিন পর হরমুজ খুলে দেবে ইরান


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ মে, ২০২৬, ১০:০৫ এএম

শান্তিচুক্তির ৩০ দিন পর হরমুজ খুলে দেবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। জাপানের সংবাদপত্র নিক্কেই এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

 

গণমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন অপসারণের কাজ শুরু করবে। এই নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিশ্বের সব দেশের বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজ অত্যন্ত নিরাপদ ও অবাধে এই আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে চলাচল করতে পারবে। একই সঙ্গে চুক্তির শর্তানুযায়ী, ইরান এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর আর কোনো অতিরিক্ত ট্রানজিট ফি আদায় করবে না বলেও জানিয়েছে।

এদিকে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার মাঝেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।

 

মার্কিন বাহিনীর দাবি, দক্ষিণ ইরানে অবস্থিত ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা এবং মাইন পেতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত থাকা ইরানি নৌযানগুলোকে লক্ষ্য করে ‘আত্মরক্ষার্থে’ এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ‘ইরানি বাহিনীর হুমকি থেকে ওই অঞ্চলে মোতায়েনকৃত মার্কিন সেনাদের সুরক্ষা দেওয়া’।

একদিকে মার্কিন হামলা এবং অন্যদিকে শান্তি আলোচনা প্রসঙ্গে তেহরানের পক্ষ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।

ইরান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৈরিতা নিরসনে চলমান আলোচনায় কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও খুব দ্রুত কোনো চুক্তি বা সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।