NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী, ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ হেমার


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ মে, ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী, ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ হেমার

বাংলা চলচ্চিত্রে দীর্ঘ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করলেন টালিউড অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী হেমা মালিনী।

 

সোমবার (২৫ মে) ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত প্রথম ‘সিভিল ইনভেস্টিচার সেরিমনি’তে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মনোনীত ব্যক্তিত্বদের হাতে পদ্ম সম্মান তুলে দেন।

এ বছর ভারত সরকার মোট ১৩১টি পদ্ম সম্মাননার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫টি পদ্মবিভূষণ, ১৩টি পদ্মভূষণ এবং ১১৩টি পদ্মশ্রী। তালিকায় প্রসেনজিৎ ও ধর্মেন্দ্র ছাড়াও রয়েছেন মামুত্তি এবং অলকা ইয়াগনিক।

 

জানুয়ারি মাসে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত তালিকাতেই জানা যায়, বাংলা চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী পাচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 

প্রায় চার দশকের অভিনয়জীবনে টালিউডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রের দুঃসময়ে বাণিজ্যিক সিনেমাকে জনপ্রিয় করে তুলতে বড় অবদান ছিল তাঁর।

প্রসেনজিতের অভিনয়জীবনের শুরু ১৯৬৮ সালে, বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে।

পরে ‘অমরসঙ্গী’ সিনেমার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন সাড়ে তিনশোর বেশি চলচ্চিত্রে।

 

অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রর হয়ে সম্মান গ্রহণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন হেমা মালিনী। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের আগে তিনি বলেন, “এটি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন এক মুহূর্ত। আমাদের মেয়ে অহনা আমার সঙ্গেই দিল্লিতে এসেছে।

ইশা আসতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষমেশ আসতে পারেনি। পুরো পরিবারই আজ আনন্দিত। সানি, ববি- সবাই এই খবর জানে এবং আমাদের সবার জন্যই এটা অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত।”