NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস?
Logo
logo

প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী, ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ হেমার


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ মে, ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী, ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ হেমার

বাংলা চলচ্চিত্রে দীর্ঘ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করলেন টালিউড অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী হেমা মালিনী।

 

সোমবার (২৫ মে) ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত প্রথম ‘সিভিল ইনভেস্টিচার সেরিমনি’তে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মনোনীত ব্যক্তিত্বদের হাতে পদ্ম সম্মান তুলে দেন।

এ বছর ভারত সরকার মোট ১৩১টি পদ্ম সম্মাননার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫টি পদ্মবিভূষণ, ১৩টি পদ্মভূষণ এবং ১১৩টি পদ্মশ্রী। তালিকায় প্রসেনজিৎ ও ধর্মেন্দ্র ছাড়াও রয়েছেন মামুত্তি এবং অলকা ইয়াগনিক।

 

জানুয়ারি মাসে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত তালিকাতেই জানা যায়, বাংলা চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী পাচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 

প্রায় চার দশকের অভিনয়জীবনে টালিউডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রের দুঃসময়ে বাণিজ্যিক সিনেমাকে জনপ্রিয় করে তুলতে বড় অবদান ছিল তাঁর।

প্রসেনজিতের অভিনয়জীবনের শুরু ১৯৬৮ সালে, বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে।

পরে ‘অমরসঙ্গী’ সিনেমার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন সাড়ে তিনশোর বেশি চলচ্চিত্রে।

 

অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রর হয়ে সম্মান গ্রহণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন হেমা মালিনী। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের আগে তিনি বলেন, “এটি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন এক মুহূর্ত। আমাদের মেয়ে অহনা আমার সঙ্গেই দিল্লিতে এসেছে।

ইশা আসতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষমেশ আসতে পারেনি। পুরো পরিবারই আজ আনন্দিত। সানি, ববি- সবাই এই খবর জানে এবং আমাদের সবার জন্যই এটা অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত।”