NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ৬, ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: মাহমুদুল সভাপতি ও হৃদয় সাধারণ সম্পাদক মন্ত্রিসভায় বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা নীতিমালা অনুমোদন লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি ভারতের সফরে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট পুতিনকে খোলা চিঠি, মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাব জেলেনস্কির নায়িকা ববির বাসায় চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২, উদ্ধার ৪ ভরি স্বর্ণালংকার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু : তদন্ত প্রতিবেদন জমা খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের বিলিয়ন ডলারের তহবিল আটকা, নেপথ্যে কী
Logo
logo

শান্তি প্রতিষ্ঠা, টেকসই উন্নয়ন ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত


Shibbir Ahmed   প্রকাশিত:  ১৫ মে, ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম

শান্তি প্রতিষ্ঠা, টেকসই উন্নয়ন ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

জাতিসংঘ, নিউইয়র্ক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি-এর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অঙ্গীকার তুলে ধরেন। 

বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সামাজিক-অর্থনৈতিক ঝুঁকি ও দুর্বলতা মোকাবিলায় “ফ্যামিলি কার্ড” এবং “ফার্মার্স কার্ড” কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরে চলমান তারল্য সংকটের মধ্যেও শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে মহিলা ও তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।  

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। তিনি তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন। সহকারী মহাসচিব খিয়ারি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদান এবং শান্তি ও নিরাপত্তা উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।