NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬ | ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত Bangladesh reaffirms multilateral commitment during U.S. Army War College visit কারখানা টিকিয়ে রাখতে সরকারের সহযোগিতা চান পোশাক ব্যবসায়ীরা ঋণ সহায়তায় আইএমএফের শর্ত জনগণের জন্য সুইটেবল না : অর্থমন্ত্রী স্টারমারের পদত্যাগ নিয়ে লেবার পার্টিতে বিভক্তি চীন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গী হচ্ছেন মাস্ক-কুকসহ শীর্ষ ব্যবসায়ীরা বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার, মেসি কি আছেন ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধের দাবিতে হাইকোর্টে জয়া আহসানের রিট ২২ মে নিউইয়র্কে শুরু হচ্ছে চারদিনের আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Logo
logo

ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধের দাবিতে হাইকোর্টে জয়া আহসানের রিট


খবর   প্রকাশিত:  ১২ মে, ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধের দাবিতে হাইকোর্টে জয়া আহসানের রিট

ঘোড়ার মাংসের অবৈধ বাণিজ্য নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রণের দাবিতে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট দায়ের করেছেন বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী কল্যাণকর্মী জয়া আহসান।

সোমবার (১১ মে) তারা এই রিটটি করেন বলে জানা গেছে। রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ ও অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণামূলকভাবে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অনুরোধ জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

 

আবেদনে গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিয়ে সময়সীমাবদ্ধ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে এই ধরনের কার্যক্রম বন্ধে জাতীয় নির্দেশিকা প্রণয়ন, অসুস্থ ও বাজেয়াপ্ত ঘোড়ার নিলাম বন্ধ এবং উদ্ধার করা প্রাণীদের পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য অভয়ারণ্য তৈরির নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

 

আইনজীবীদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরের শুরুতে গাজীপুরে জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, র‍্যাব-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি তুলা কারখানায় অবৈধ জবাইখানার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সেখানে ৩৬টি অসুস্থ ঘোড়া, আটটি জবাইকৃত ঘোড়ার মৃতদেহ এবং বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলো অপুষ্টি, সংক্রমণ, উন্মুক্ত ক্ষত ও নানা রোগে আক্রান্ত ছিল। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী সংক্রমণ, ছত্রাক দূষণ ও সন্দেহজনক যক্ষ্মার উপস্থিতিও শনাক্ত হয়।

 

রিটে বলা হয়, এসব দূষিত মাংস গরুর মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছিল।

যদিও প্রশাসন তখন কার্যক্রম বন্ধের কথা জানিয়েছিল, পরবর্তীতে স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্ট গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

রিটকারীদের দাবি, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে একাধিকবার চিঠি দেওয়ার পরও কোনো ফল না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তারা হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট দায়ের করেন।