NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস?
Logo
logo

স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে ইতালিতে বাংলাদেশি স্ত্রী গ্রেপ্তার


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ মে, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে ইতালিতে বাংলাদেশি স্ত্রী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্কঃ ইতালিতে এক প্রবাসীকে অচেতন করে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত উভয়েই বাংলাদেশি নাগরিক। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় সালেরনো প্রদেশের আংগ্রি শহরে এই ঘটনা ‘পরকীয়ার জেরে’ ঘটেছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ইতালীয় মানবাধিকার সংগঠন ও আইনজীবীরা ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। শনিবার স্থানীয় গণমাধ্যম সালেরনো টুডে-র প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার শিকার ব্যক্তি ৪১ বছর বয়সি একজন বাংলাদেশি নাগরিক। অভিযুক্ত নারী তার স্ত্রী। তবে তাদের কারো নাম প্রকাশ করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ অনুযায়ী, “ঘটনার দিন ওই ব্যক্তিকে প্রথমে নেশাজাতীয় দ্রব্য বা ওষুধের মাধ্যমে অচেতন করা হয়। তিনি যখন অচেতন অবস্থায় ছিলেন, তখন তার স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন।”

আহত ব্যক্তি বাসা থেকে বের হন এবং প্রতিবেশীদের কাছে সাহায্য চান। প্রতিবেশীরা ইতালির জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নম্বর ১১৮-তে কল করলে অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত হলেও তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন।

হামলার পরপরই অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ (ক্যারাবিনিয়েরি)। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনাটি ইতালিতে আইনি ও সামাজিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইতালীয় আইনজীবী অ্যাঞ্জেলো পিসানি ঘোষণা করেছেন যে, তার সংগঠন এই মামলায় ভুক্তভোগীর পক্ষে দেওয়ানি পক্ষ (সিভিল পার্টি) হিসেবে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেবে।

পিসানি বলেন, “এ সহিংসতার ঘটনা আমাদের সমাজ নিয়ে নতুন করে চিন্তার দাবি রাখে। এটি একটি সত্যকে সামনে এনেছে যা প্রায়ই জনমতের আড়ালে থাকে, সহিংসতার কোনো লিঙ্গ নেই।”

তিনি আরও বলেন, “সহিংসতাকে একপাক্ষিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ আর নেই। ভুক্তভোগী যেই হোন না কেন, প্রত্যেকেই সমান সুরক্ষা, শুনানি এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখেন। লিঙ্গ বা আদর্শের ভিত্তিতে কোনো ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়।”

সালেরনো টুডে-র প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভোগী বাংলাদেশি হাসপাতালে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। পুলিশ মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং অভিযুক্ত নারী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।