NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয় ‘লেক অন্টারিও’-র নাম পাল্টে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের মেসির অবসর ঘোষণায় যা বলল আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইরানের ওপর প্রতি সপ্তাহে নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধের দাম কমাতে আরও ৯ কোম্পানির সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের চুক্তি ৯/১১-এর ২৫ বছর: নিউইয়র্কে নতুন প্রদর্শনী উদ্বোধন ৯/১১ মিউজিয়ামে
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের অডিও ফাঁস


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৪ এএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের অডিও ফাঁস

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান টার্নারের একটি ফাঁস হওয়া অডিও ঘিরে নতুন করে তৈরি হয়েছে কূটনৈতিক বিতর্ক। সেখানে তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র ‘বিশেষ সম্পর্ক’ সম্ভবত ইসরায়েলের সঙ্গে, ব্রিটেনের সঙ্গে নয়।

বার্তা সংস্থা সিএনএন বলছে, ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফাইনান্সিয়াল টাইমসের হাতে আসা একটি অডিও রেকর্ডিং থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ওয়াশিংটনে ব্রিটিশ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেছিলেন টার্নার।

রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিন পরই তিনি এ বক্তব্য দেন।

বিষয়টি অস্বীকার না করলেও ব্রিটেনের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘এটি সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়।’

 

ওই বৈঠকে টার্নার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন সম্পর্ক বোঝাতে ‘স্পেশাল রিলেশনশিপ বা বিশেষ সম্পর্ক’ শব্দটি তার পছন্দ নয়। তার মতে, এটি ‘পুরনো ও অতীতমুখী’ ধারণা।

তবে তিনি স্বীকার করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মধ্যে সম্পর্ক এখনো দৃঢ়।

বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা গভীরভাবে জড়িত।

 

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সম্প্রতি পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর টার্নার এই দায়িত্বে যোগ দেন।

তবে তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে থাকা ব্রিটেনের রাজা কিং চার্লস তৃতীয়ের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। সেই সেঙ্গ দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।