NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস?
Logo
logo

মাদুরোর বিরুদ্ধে ‘রাজসাক্ষী’ হচ্ছেন সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ‘মুরগি’


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

মাদুরোর বিরুদ্ধে ‘রাজসাক্ষী’ হচ্ছেন সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ‘মুরগি’

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর জন্য বড় দুঃসংবাদ হয়ে আসছেন তারই একসময়ের বিশ্বস্ত গোয়েন্দা প্রধান হুগো কারভাহাল। বর্তমানে নিউইয়র্কের ব্রুকলিন জেলে বন্দি মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসবাদ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে মার্কিন সরকারকে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এক প্রতিবেদনে সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

সিএনএন-এর হাতে আসা একটি চিঠিতে দেখা যায়, কারভাহাল গত ডিসেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লিখেছিলেন, তিনি তার অতীত অপরাধের জন্য ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করতে চান।

তার দাবি, মাদুরো প্রশাসন সচেতনভাবে আমেরিকায় মাদক ও অপরাধী পাঠিয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির পরিকল্পনা করেছিল।

 

চিঠিতে কারভাহাল আরো কিছু ভয়াবহ অভিযোগ এনেছেন। সেগুলো হলো—মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ ও কারচুপি করার চেষ্টা করেছিলেন। ভেনেজুয়েলার কুখ্যাত গ্যাং 'ট্রেন দে আরাগুয়া'-র সঙ্গে আঁতাত করে যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধী ও মাদক পাচার করেছিলেন।

উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ‘কার্টেল দে লস সোলেস’ বা সূর্যের কার্টেল ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে মাদককে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন মাদুরো।

 

গত সপ্তাহে কারভাহালের সাজা ঘোষণার শুনানি হঠাৎ স্থগিত করা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সাজা স্থগিত হওয়া এবং মার্কিন ফেডারেল ইনমেট ডাটাবেসে তার নাম না থাকা—এই দুটি বিষয়ই ইঙ্গিত দেয় যে তিনি মার্কিন কৌঁসুলিদের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছেছেন এবং মাদুরোর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়েছেন।

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলায় এক নজিরবিহীন অভিযান চালিয়ে কারাকাস থেকে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দি করে নিউইয়র্কে নিয়ে আসে।

বর্তমানে তিনি সেখানেই বিচারের অপেক্ষায় আছেন। সাবেক এই গোয়েন্দা প্রধানের সাক্ষ্য মাদুরোর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।