NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস?
Logo
logo

খামেনির সম্মানে তেহরানে শোভাযাত্রা


খবর   প্রকাশিত:  ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

খামেনির সম্মানে তেহরানে শোভাযাত্রা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা প্রয়াত আলী খামেনির স্মরণে তেহরানে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলজাজিরার তেহরান সংবাদদাতা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রিয় নেতার স্মরণে শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য জনগণ তেহরানের রাস্তায় ও চত্বরগুলোতে যাচ্ছেন। আলী খামেনি ৪০ দিন আগে নিহত হয়েছিলেন।

 

 

মানুষ স্লোগানের পাশাপাশি লেবাননের জনগণের প্রতি সমর্থন জানাতে বেশ কয়েকটি ব্যানারও ছিল বলে জানিয়েছেন সংবাদদাতা।

গতকালও এঙ্গেলাব স্কয়ারে একটি বিশাল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। সুতরাং এটি এখন তেহরান এবং অন্য ইরানি শহরগুলোতে একটি দৈনন্দিন আচার-অনুষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে।

এদিকে প্রেস টিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শৈশব থেকেই ইসলামী শিক্ষা ও সাহিত্যিক ঐতিহ্যের মধ্যে বেড়ে ওঠেন।

ধীরে ধীরে তিনি এমন এক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন, যার প্রভাব মাদরাসার গণ্ডি ছাড়িয়ে বহুদূর বিস্তৃত হয়।

 

শুরু থেকেই তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। পশ্চিমা সমর্থিত পাহলভি শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর তিনি দেশের প্রেসিডেন্ট হন এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধ (যা ‘পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধ’ নামে পরিচিত) চলাকালে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন।

ফলে তরুণ যোদ্ধাদের জন্য তিনি হয়ে ওঠেন অনুপ্রেরণার উৎস।

 

সময়টা ২০২৫-২৬ সাল। ইরান দুই দফা বিদেশি আগ্রাসনের মুখে পড়ে। প্রথমটি ২০২৫ সালের জুনে, দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এই দুই যুদ্ধ ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ’-এর মাধ্যমে ইরান বিশ্বকে তার শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা দেখায়।

 

এরপর আসে ২৮ ফেব্রুয়ারির সেই সকাল। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের একটি ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তার কার্যালয়ে আঘাত হানে। রোজা অবস্থায় কোরআন তিলাওয়াত করার সময় তিনি নিহত হন। সেদিনই শুরু হয় ‘রমজান যুদ্ধ’। টানা ৪০ দিন পর বুধবার এই যুদ্ধের অবসান ঘটে। ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেয়। এই ‘ঐতিহাসিক বিজয়’-এর দিনটি মিলে যায় ইসলামী বিপ্লবের এই নেতার শাহাদাতের ৪০তম দিনে।