NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয় ‘লেক অন্টারিও’-র নাম পাল্টে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের
Logo
logo

সমঝোতার আহ্বান ট্রাম্পের, অন্যথায় ‘সম্পূর্ণ ধ্বংসের’ হুমকি


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ এএম

সমঝোতার আহ্বান ট্রাম্পের, অন্যথায় ‘সম্পূর্ণ ধ্বংসের’ হুমকি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতার মধ্যে ইরান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

কিন্তু এর মধ্যেই ইরানকে কঠোর হুমকি দিয়ে তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ফের খুলে না দিলে এবং শিগগিরই যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি না হয়, তাহলে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ, তেলকূপ ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, কূটনৈতিক আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির’ পরেও কোনো সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। 

তিনি বলেন, এর পরও যদি কোনো কারণে চুক্তি না হয় এবং হরমুজ প্রণালি তাৎক্ষণিকভাবে উন্মুক্ত না করা হয়, তাহলে ইরানে আমাদের ‘অবস্থান’ শেষ করে দেব।

 

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলকূপ ও খারগ দ্বীপ ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেব। যা আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে এখনো ‘স্পর্শ’ করিনি।

বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপ নিয়ে এবার উদ্বেগ আরো বেড়েছে। ট্রাম্পের এমন হুমকি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরো বাড়বে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।