NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী বাংলাদেশ ও জার্মানি শক্তিশালী বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক চায় বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, যানবাহনে আগুন ভিসা জালিয়াতির দায়ে মার্কিন নাগরিকত্ব হারাচ্ছেন ভারতীয় সিইও বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার
Logo
logo

মার্কিন সেনারা ইরানের মাটিতে প্রবেশ করলে ‘কফিনে’ ফিরে যাবে


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ এএম

মার্কিন সেনারা ইরানের মাটিতে প্রবেশ করলে ‘কফিনে’ ফিরে যাবে

ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের বিষয়ে দেশটিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তেহরান টাইমস। পত্রিকাটি ওই প্রতিবেদনে শিরোনাম করেছে— ‘ওয়েলকাম টু হেল’।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো মার্কিন সেনা ইরানের মাটিতে প্রবেশ করলে ফিরে যাবে শুধু ‘কফিনে’।

 

রবিবার (২৯ মার্চ) প্রকাশিত দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিকল্পনায় বিশেষ অভিযানে নিয়োজিত বাহিনী এবং প্রচলিত পদাতিক সেনাদের মাধ্যমে অভিযান চালানোর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তবে এসব পরিকল্পনায় অনুমোদন দেবেন কি না, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো অনিশ্চিত বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।

এদিকে, ইরান যুদ্ধ পঞ্চম সপ্তাহে গড়ানোর প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মেরিন সেনা মোতায়েন করেছে।

পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার সেনা ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে।

 

মার্কিন সেনাদের গ্রাউন্ড ইনভেশনের আগে ইরানের এমন হুঁশিয়ারি যুদ্ধের পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলছে বলে দাবি বিশ্লেষকদের।

এদিকে গতকাল ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন হামলার ঘটনায় পাল্টা হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত মার্কিন-ইসরায়েলি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে টার্গেট করা হতে পারে।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তত এক কিলোমিটার দূরে থাকার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।