NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয়
Logo
logo

এলিয়েনের অস্তিত্ব বাস্তব—দাবি ওবামার


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০২ এএম

এলিয়েনের অস্তিত্ব বাস্তব—দাবি ওবামার

এলিয়েন ‘বাস্তব’, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এমন দাবি করায় আবারও ভিনগ্রহী প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তিনি আরো বলেন, তারা কোথায় আছে তা তিনি জানেন না। শনিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ইউটিউবার ব্রায়ান টাইলার কোয়েনের এলিয়েনের অস্তিত্বসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে ওবামা এ মন্তব্য করেন।

ওবামা বলেন, এলিয়েন বাস্তব, তবে দ্রুতই তিনি এলিয়েনদের নেভাদায় অবস্থিত গোপন মার্কিন বিমানঘাঁটি এরিয়া ৫১-তে রাখা হয়েছে, সেই ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নাকচ করেন।

 

তিনি বলেন, ‘তারা বাস্তব,’ এবং আরো যোগ করেন, ‘...কিন্তু আমি তাদের দেখিনি, এবং তাদের এরিয়া ৫১-তে রাখা হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোনো ভূগর্ভস্থ স্থাপনা নেই, যদি না এটি কোনো বিশাল ষড়যন্ত্র হয়, এবং তারা সেটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকেও গোপন রেখেছে।’

এরিয়া ৫১ দীর্ঘদিন ধরেই এলিয়েন ও যাচাইবিহীন ইউএফও দেখার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাঁটির অস্তিত্ব স্বীকার করেনি।

এটি উন্নত সামরিক বিমান পরীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।

 

ওবামার এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন অশনাক্ত অস্বাভাবিক ঘটনা (ইউএপি)—যা ইউএফওর জন্য সরকারের ব্যবহৃত পরিভাষা—নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। ইউএপি সংক্রান্ত ঘটনাগুলো তদন্তে পেন্টাগন অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রেজল্যুশন অফিস প্রতিষ্ঠা করেছে এবং কংগ্রেস এসব ঘটনার বিষয়ে সরকারকে আরো তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে আইন পাস করেছে।

পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব নিশ্চিত করার মতো কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই।

তবুও বিজ্ঞানীরা কোনো সূত্রের সন্ধানে মহাকাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছেন। তবে ভিনগ্রহী বুদ্ধিমত্তা অনুসন্ধানে পরিচালিত একটি গণঅংশগ্রহণমূলক প্রকল্পের কারণে সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পেয়েছেন।

 

১৯৯৯ সালে চালু হওয়া ‘সেটি@হোম’ নামের প্রকল্পটিতে বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন, যার লক্ষ্য ছিল পুয়ের্তো রিকোর আরেসিবো মানমন্দিরের তথ্য থেকে অস্বাভাবিক রেডিও সংকেত শনাক্ত করা।

২০২০ সালে তারের ত্রুটির কারণে বিশাল রেডিও দূরবীনটি ধসে পড়ে এবং প্রকল্পটি হঠাৎ শেষ হয়ে যায়। তবে নাগরিক বিজ্ঞানীরা ২১ বছরের তথ্য থেকে ১২ বিলিয়নের বেশি সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত শনাক্ত করেছেন।

 

গবেষকরা এখন ফলাফল যাচাই ও বিশ্লেষণ করছেন। ২১ বছর পর দলটি সংকেতগুলোকে ১০০টি সম্ভাবনাময় প্রার্থীতে সীমিত করেছে, যা বর্তমানে চীনের ফাস্ট রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে পুনরায় পরীক্ষা করা হচ্ছে।