NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী বাংলাদেশ ও জার্মানি শক্তিশালী বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক চায় বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, যানবাহনে আগুন ভিসা জালিয়াতির দায়ে মার্কিন নাগরিকত্ব হারাচ্ছেন ভারতীয় সিইও বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার
Logo
logo

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ


খবর   প্রকাশিত:  ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের দাবিকে দৃঢ়ভাবে নাকচ করে স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকার পরিচালনার জন্য তার প্রাপ্ত ম্যান্ডেট এখনো সম্পূর্ণভাবে বহাল রয়েছে।

পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় আসায় লেবার পার্টির ভেতরে ও বাইরে অস্থিরতা তৈরি হলেও স্টারমার নিজের অবস্থান থেকে সরে আসছেন না। 

ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এই মুহূর্তে কেবল দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতেই মনোযোগ দিতে চান এবং রাজনৈতিক বিতর্কের চাপে কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রশ্ন নেই।

এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যরা প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

 

চ্যান্সেলর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, সরকার ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থা আছে। 

তারা পদত্যাগের দাবিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির একটি ‘রাজনৈতিক চাল’ বলে উল্লেখ করেছেন। মন্ত্রিসভার এই সংহতি স্টারমারের জন্য কিছুটা স্বস্তির হলেও বিরোধীদের সমালোচনা থেমে নেই।

অন্যদিকে বিরোধী দল ও কয়েকটি বিক্ষোভকারী গোষ্ঠী বিষয়টিকে ‘জনসাধারণের আস্থার সংকট’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্টারমারের বিদায় দাবি করছে।

তারা এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিপত্র এবং ম্যান্ডেলসনের ভূমিকা নিয়ে সরকারের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছে।

 

তবে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। তাদের মতে, অতীতের কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্কের দায় বর্তমান সরকারের ওপর আরোপ করা যায় না। 

পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী দিনগুলোতে এই বিতর্ক ব্রিটিশ রাজনীতিতে স্টারমারের স্থিতিশীলতা এবং লেবার পার্টির জনপ্রিয়তার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।