NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন মঙ্গলবার ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার গ্রিসে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২ কঙ্গনা আর হৃত্বিকের পুরনো বিরোধে নতুন ডালপালা সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’
Logo
logo

‘বৈশ্বিক অস্থির সময়ে বেইজিং-মস্কো সম্পর্ক স্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী’


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ এএম

‘বৈশ্বিক অস্থির সময়ে বেইজিং-মস্কো সম্পর্ক স্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী’

রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিন বুধবার চীনের শি চিনপিংয়ের সঙ্গে ভিডিও কলে বৈশ্বিক অস্থির সময়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে মস্কোর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ককে ‘স্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী’ একটি উপাদান হিসেবে অভিহিত করেছেন।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে সম্পর্ক গভীর হওয়ায় মস্কো ও বেইজিং পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করছে। এই ফোনালাপটি এমন এক সময় হলো, যখন উভয় দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা কয়েক দিন আগে সম্মত হন যে, চলতি বছরে সম্পর্ক ‘নতুন দিগন্ত উন্মোচন’ করতে পারে—অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার অংশ হিসেবে।

রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভিডিও বার্তায় পুতিন শিকে বলেন, ‘ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মধ্যেও মস্কো ও বেইজিংয়ের পররাষ্ট্রনীতি জোট একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে রয়ে গেছে।

 

শিকে ‘প্রিয় বন্ধু’ সম্বোধন করে পুতিন বলেন, ‘রাশিয়া-চীনের সর্বাত্মক অংশীদারি ও কৌশলগত সহযোগিতা একটি দৃষ্টান্তমূলক সম্পর্ক।’

পুতিন বাণিজ্যিক সম্পর্কেরও প্রশংসা করেন। ইউক্রেনে ক্রেমলিনের অভিযানের জেরে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মস্কো তার রপ্তানি এশিয়ার দিকে পুনর্নির্দেশ করেছে।

চীন কখনোই রাশিয়ার যুদ্ধের নিন্দা করেনি বা সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানায়নি।

ইউক্রেনের অনেক মিত্র দেশ মনে করে, বেইজিং মস্কোকে সহায়তা দিয়েছে।

 

এই ভিডিও কলটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়, যখন রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকরা প্রায় চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান নিয়ে আরেক দফা আলোচনার জন্য আবুধাবিতে মিলিত হন। তবে শির সঙ্গে ফোনালাপে পুতিন ইউক্রেন প্রসঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

দুই নেতা সর্বশেষ সরাসরি সাক্ষাৎ করেন গত সেপ্টেম্বর, যখন রুশ নেতা বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেন।

এর আগে গত বছর মে মাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিদের পরাজয়ের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শি মস্কো সফর করেন।

 

গত সপ্তাহান্তে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বেইজিংয়ে রাশিয়ার নিরাপত্তা প্রধান সের্গেই শোইগুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, ওয়াং শোইগুকে বলেন, ‘অস্থিরতার’ সময়ে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে সমুন্নত রাখতে চীন ও রাশিয়াকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং ‘সমান ও সুশৃঙ্খল বহুমেরু বিশ্ব’-এর পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।