NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন মঙ্গলবার ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার গ্রিসে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২ কঙ্গনা আর হৃত্বিকের পুরনো বিরোধে নতুন ডালপালা সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’
Logo
logo

সরকারে যে আসুক, চীন-বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে : ড. ইউনূস


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

সরকারে যে আসুক, চীন-বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে : ড. ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যে সরকারই আসুক, চীন-বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে।

 

গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় চীন–বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ফোরামের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। বৈঠকে তিনি স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও ডিজিটাল খাতে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন এবং চীন সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 (শুক্রবার) তার দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বৈঠকে সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েস্ট চায়না স্কুল অব মেডিসিনের পরিচালক ও খ্যাতনামা বায়োমেডিকেল বিজ্ঞানী সিন-ইউয়ান ফু অধ্যাপক ইউনূসের দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষাবিদদের সঙ্গে যৌথভাবে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

শুক্রবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বৈঠকে ‘ওয়ালভ্যাক্স বায়োটেকনোলজি’র পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা অ্যান্ড্রু জিলং ওং এবং ‘ওয়ালভ্যাক্স বায়োটেক (সিঙ্গাপুর)’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউচিং ইয়াও বাংলাদেশে তাদের কাজের অভিজ্ঞতা ও আগ্রহের কথা জানান। অন্তত ২২টি দেশে টিকা রপ্তানি করা এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে পিসিভি ও এইচপিভি টিকা উৎপাদনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। যুক্তরাজ্য ও ইন্দোনেশিয়ায়তেও তাদের স্থানীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

 

চীনা প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সম্ভাবনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটালাইজেশন নিয়ে তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।

বৈঠকে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাইক্রোক্রেডিট আন্দোলনের সূত্র ধরে চীনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, চীনের প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে তিনি মানুষের জীবনে পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছেন। পরে সেই ধারণা অনুসরণ করে চীন নিজস্ব কর্মসূচি চালু করে।

গত বছরের মার্চে চীন সফরের কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট আমাকে জানিয়েছেন, আমার বই তিনি পড়েছেন এবং নীতিগুলো অনুসরণ করেছেন, যা আমার জন্য আনন্দের মুহূর্ত ছিল।’

শিগগির নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকার ওপর জোর দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন, তবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কাজ চলমান থাকতে হবে।

স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও ডিজিটাল খাতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, স্বাস্থ্যখাতই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে।

বৈঠক শেষে অধ্যাপক ইউনূস ধারাবাহিক সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য চীনা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।