NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন মঙ্গলবার ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার গ্রিসে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২ কঙ্গনা আর হৃত্বিকের পুরনো বিরোধে নতুন ডালপালা সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’
Logo
logo

শেষ ওভারের রোমাঞ্চকর জয়ে শীর্ষে ফিরল রাজশাহী


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

শেষ ওভারের রোমাঞ্চকর জয়ে শীর্ষে ফিরল রাজশাহী

জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে ২৫ রান প্রয়োজন ছিল সিলেট টাইটানসের। রিপন মন্ডলের করা প্রথম দুই বলে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের পাল্লা নিজেদের দিকে নেন মঈন আলী। 

ফিরতি বলেই কামব্যাক করেন রিপন। শর্ট বলে মঈনকে আউট করে।

ওই ওভারের শেষ বলে ফেরান নাসুম আহমেদকেও। ১৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে জয়ের স্বপ্ন দেখান। শেষ ওভারে সেই স্বপ্ন সত্যিই করেন বিনুরা ফার্নান্দো। ১১ রানের সমীকরণে ৫ রান দিয়ে  জয় এনে দেন শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি পেসার।

 

এ জয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসে পেছনে ফেলে আবারও শীর্ষস্থানে উঠল রাজশাহী। ৯ ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর দলের পয়েন্ট ১৪। চট্টগ্রামের ৮ ম্যাচে ১২। দিনের প্রথম ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে হারিয়ে শীর্ষে উঠেছিল চট্টগ্রাম।

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঠিকই শীর্ষস্থানে ফিরল রাজশাহী।

 

মিরপুরে ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট। দলীয় ১৫ রানে ২ উইকেট হারায় তারা। সেখান থেকে ৪৯ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের হাল ধরেন মমিনুল হক ও পারভেজ হোসেন ইমন। সর্বোচ্চ ৪১ রানের ইনিংস খেলে ইমন আউট হলেও ম্যাচ হাতে ছিল সিলেটের।

মমিনুল-আফিফরা জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন।

 

আফিফের ১৬ রানের বিপরীতে মমিনুল ৩১ রানে বিদায় নিলে জয়ের দায়িত্ব পরে মঈনের কাঁধে। তবে দায়িত্বটা পূরণ করতে পারেননি মঈন। রাজশাহীর হয়ে ৩৪ রানে ৪ ‍উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন রিপন।

এর আগে রাজশাহীও শুরুতে ধাক্কা খায়। শেষ পর্যন্ত তারা ১৪৭ রানের সংগ্রহ পায় মুশফিকুর রহিমের সর্বোচ্চ ৪০ রানের বিপরীতে শান্তর ৩০ রানের সৌজন্যে। তবে শেষ দিকে ১ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ রান করে জয়ে অবদান রাখেন পেসার আব্দুল গাফফার সাকলাইনও। সিলেটের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শহীদুল ইসলাম ও নাসুম।