NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ | ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে, নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থার আহ্বান গুতেরেসের কূটনীতি থমকে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের ট্রাম্পের মেইল-ইন ভোটের বিধিনিষেধ ফের আটকালেন বিচারক রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেট যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল আমি সব সময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি : ট্রাম্প জাভা সাগরে ফেরি উল্টে ৬ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১২৯ যাত্রী একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি, চ্যাম্পিয়ন হয়েও নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিল না ভারতীয় দল ট্রাম্পের ৯/১১ স্মরণ, $৫,০০০ ডিভিডেন্ড প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যে হামলা-সংঘাত তীব্র, বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে বড় ঝুঁকি ৯/১১ হামলার আরও নথি প্রকাশের বিষয়টি বিবেচনা করবেন  ট্রাম্প
Logo
logo

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা আইনের অধ্যাদেশ অনুমোদন


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা আইনের অধ্যাদেশ অনুমোদন

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। 

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ কথা জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের কাছে প্রতিশ্রুতি ছিল, নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে আমাদের যে প্রত্যয় ছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

আগামী পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গেজেট জারির মাধ্যমে এই অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হবে বলে জানান তিনি। 

আসিফ নজরুল বলেন, ‘এখানে আমরা মূলত যেটা করেছি সেটা হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলি থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ বলতে আমরা বুঝিয়েছি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত সেসব কার্যাবলির ফৌজদারি দায়দায়িত্ব থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এটা হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই এবং আগস্টে সংঘটিত কার্যাবলি।

 

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘যদি কোনো মামলা হয়ে থাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলির কারণে যদি কোনো ফৌজদারি মামলা হয়ে থাকে তাহলে সেই মামলাগুলা প্রত্যাহার করার পদক্ষেপ সরকার নেবে এবং এখন থেকে নতুন কোনো মামলা করা যাবে না।’

আসিফ নজরুল ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘এখন প্রশ্ন আসবে বা আসতে পারে—কোন হত্যাকাণ্ডটা আপনার রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় হয়েছে আর কোন হত্যাকাণ্ডটা ব্যক্তি এবং সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে বা এটার সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিরোধের সম্পর্ক নেই—এটা নির্ধারণের দায়িত্ব আমরা দিয়েছি মানবাধিকার কমিশনকে। কোনো ভুক্তভোগী পরিবার যদি মনে করে, তার পিতা বা তার ভাই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে অন্য কারো ব্যক্তিগত সংকীর্ণ স্বার্থ থেকে, এটার সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের সম্পর্ক ছিল না, তাহলে তিনি মানবাধিকার কমিশনে যাবেন। মানবাধিকার কমিশন যদি দেখে, সত্যি এটা ব্যক্তিগত সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে তাহলে মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করবে।

তদন্ত রিপোর্ট দেবে।’

 

তিনি বলেন, ‘আদালতে সেই তদন্ত রিপোর্টই পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের মতো করে গণ্য করা হবে। যদি দেখেন যে—না, এটা রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলির ধারাবাহিকতায় হয়েছে। তাহলে অবশ্যই এই সংঘটিত কার্যক্রমের জন্য কোনো দায়দায়িত্ব থাকবে না।’