NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয়
Logo
logo

ইউরোপের বাজার দখল করছে চীনা পণ্য


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

ইউরোপের বাজার দখল করছে চীনা পণ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তীব্র বাণিজ্য বিরোধের মধ্যে চীন এখন তাদের কমমূল্যের পণ্য বিক্রির জন্য নতুন বাজার খুঁজছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে শেইন ও টেমু -এর মতো চীনা ই-কমার্স কম্পানিগুলো ইউরোপের বাজারকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এই কৌশল ইউরোপের অনেক দেশে তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরে ইউরোপের বাজারে চীনা পণ্যের ঢল নেমেছে।

এসব পণ্য বিক্রি করা সবচেয়ে বড় কম্পানিগুলোর একটি হলো শেইন; যেটি স্বল্প দামে দ্রুত ফ্যাশনের জন্য পরিচিত একটি ব্র্যান্ড। গত নভেম্বর মাসে শেইন ইউরোপে তাদের প্রথম স্থায়ী স্টোর চালু করে। এটি প্যারিসের একটি জনপ্রিয় ডিপার্টমেন্ট স্টোরে অবস্থিত।

 

সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্যারিসে শেইনের স্টোর খোলার দিন পরিস্থিতি ছিল একেবারেই বিশৃঙ্খল।

বিপুল সংখ্যক মানুষ লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল কেনাকাটার জন্য। আর ঠিক পাশেই ছিলেন ক্ষুব্ধ প্যারিসবাসী, যারা শেইনকে তাদের শহর থেকে বের করে দিতে চাইছিলেন।

 

পরিস্থিতি ছিল ভীষণ উত্তপ্ত। অনেক ফরাসি খুচরা ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ এতে ক্ষুব্ধ হন।

কিছু ডিপার্টমেন্ট স্টোরের কর্মীরা ধর্মঘট ও বিক্ষোভে অংশ নেন। তারা একদিনের জন্য কাজ বন্ধ রাখেন।

 

শুধু এই স্টোর খোলার ঘোষণাই প্যারিস ও পুরো ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মূলত, ইউরোপে সস্তা চীনা পণ্যের এই প্রবাহ খুব দ্রুত ঘটেছে। আর এর পেছনে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট কারণ।

 

যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক (ট্যারিফ) কার্যকর হওয়ার পর চীনকে এমন নতুন বাজার খুঁজতে হয়েছে, যেখানে তারা সেই বিপুল পরিমাণ পণ্য বিক্রি করতে পারে—যেগুলো আর যুক্তরাষ্ট্রে আগের মতো বিক্রি হচ্ছিল না। সেই দিক থেকে ইউরোপকে চীনের কাছে নিখুঁত বাজার বলে মনে হয়েছে।