NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয়
Logo
logo

নিউইয়র্কের আদালতে মাদুরোর দাবি, ‘আমি নির্দোষ, আমি যুদ্ধবন্দি’


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

নিউইয়র্কের আদালতে মাদুরোর দাবি, ‘আমি নির্দোষ, আমি যুদ্ধবন্দি’

সোমবার নিউইয়র্কের একটি ভরা আদালতে প্রবেশ করেন নিকোলাস মাদুরো। কাঁধ সোজা করে তিনি গ্যালারির দিকে তাকান। কয়েকজনকে স্প্যানিশ ভাষায় অভিবাদন জানান। এরপর তিনি বলেন, ‘আমি নির্দোষ।’

অপসারিত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট কালো শার্টের নিচে কমলা কারাগারের পোশাক পরে আদালতে হাজির হন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তাকে অপহরণ করেছে। তিনি নিজেকে যুদ্ধবন্দি বলেও উল্লেখ করেন।

৩০ মিনিটের শুনানিতে মাদুরো মাদক ও অস্ত্র মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন ভদ্র মানুষ। আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।’

ম্যানহাটনের আদালতের কাঠের দেয়ালঘেরা কক্ষে আইনজীবী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। মাদুরো বুঝতে পারছিলেন, সবার দৃষ্টি তার দিকে। তিনি আদালতকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নিন্দা করেন।

একপর্যায়ে বিচারক তাকে থামিয়ে দেন। বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টিন বলেন, ‘এসব কথা বলার জন্য সময় ও জায়গা পরে আসবে।’

মাদুরো বলেন, ‘৩ জানুয়ারি শনিবার থেকে আমি এখানে অপহৃত অবস্থায় আছি। ভেনেজুয়েলার কারাকাসে নিজের বাড়ি থেকে আমাকে ধরা হয়।’

শুনানির শেষ দিকে গ্যালারি থেকে এক ব্যক্তি চিৎকার করে বলেন, মাদুরোকে তার অপরাধের মূল্য দিতে হবে। তখন মাদুরো বলেন, ‘আমি একজন যুদ্ধবন্দি।’ এরপর তাকে আদালত কক্ষ থেকে বের করে নেওয়া হয়।

মাদুরো পুরো শুনানিতে শুধু স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলেন। অনুবাদের জন্য তিনি হেডফোন ব্যবহার করেন। তিনি কলম ও কাগজে নোট নেন। খুব কমই তিনি মাথা তুলেছিলেন।

তার পাশে স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস বসেছিলেন। আদালতের ভেতরে দুইজন মার্কিন মার্শাল উপস্থিত ছিলেন। তবে কোনো অস্ত্র দেখা যায়নি। সকালে ব্রুকলিনের কারাগার থেকে সাঁজোয়া গাড়িতে করে তাদের আনার সময় ভারী অস্ত্রধারী পুলিশ মোতায়েন ছিল।

আদালতের বাইরে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তা ছিল। লোহার ব্যারিকেড দিয়ে এলাকা ঘেরা হয়। কয়েক ডজন মানুষ মাদুরোর গ্রেপ্তারকে সমর্থন ও বিরোধিতা করে জড়ো হন। একদল ভেনেজুয়েলার পতাকা হাতে ইউএসএ হ্যান্ডস অফ ভেনেজুয়েলা স্লোগান দেন। তারা ভিভা ভিভা মাদুরো ধ্বনি তোলেন।