NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ | ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে, নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থার আহ্বান গুতেরেসের কূটনীতি থমকে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের ট্রাম্পের মেইল-ইন ভোটের বিধিনিষেধ ফের আটকালেন বিচারক রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেট যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল আমি সব সময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি : ট্রাম্প জাভা সাগরে ফেরি উল্টে ৬ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১২৯ যাত্রী একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি, চ্যাম্পিয়ন হয়েও নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিল না ভারতীয় দল ট্রাম্পের ৯/১১ স্মরণ, $৫,০০০ ডিভিডেন্ড প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যে হামলা-সংঘাত তীব্র, বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে বড় ঝুঁকি ৯/১১ হামলার আরও নথি প্রকাশের বিষয়টি বিবেচনা করবেন  ট্রাম্প
Logo
logo

বেগম খালেদা জিয়া আর নেই


মশিউর রহমান মজুমদার   প্রকাশিত:  ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:১২ এএম

বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি ইন্তিকাল করেন।

বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ ছাড়া ফেসবুকে দলটির সবগুলো পেজ থেকে বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়েছে। তার জানাজার সময় পরে জানানো হবে বলে দল থেকে জানানো হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছিল।

চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে তাঁর জন্ম। তাঁর বাবা ভারতের জলপাইগুড়ি থেকে দেশভাগের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন। তাঁদের আদি বাড়ি ফেনীতে।

তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।

জিয়াউর রহমান বীর উত্তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন। এ সময় তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানাসহ বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালের মার্চে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।

বেগম জিয়া দেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হন।