NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন মঙ্গলবার ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার গ্রিসে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২ কঙ্গনা আর হৃত্বিকের পুরনো বিরোধে নতুন ডালপালা সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল ‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’
Logo
logo

ভারত থেকে বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে ম্যান সিটির মালিকপক্ষ


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:১২ পিএম

ভারত থেকে বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে ম্যান সিটির মালিকপক্ষ

কয়েক দিন ধরে গুঞ্জন চলছিল, শেষ পর্যন্ত তা-ই সত্যি হলো। ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল গ্রুপ (সিটি ফুটবল গ্রুপ বা সিএফজি) মুম্বাই সিটি এফসির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক শেষ করার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতীয় ঘরোয়া ফুটবলে বড় স্বপ্ন নিয়ে প্রবেশ করা সিএফজি মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে সব বিনিয়োগ তুলে নিল।

২০১৯ সালের নভেম্বরে সিএফজি মুম্বাই সিটির ৬৫ শতাংশ মালিকানা কিনেছিল। তখন আশা করা হয়েছিল, বিশ্বমানের এই ক্লাব ভারতের ফুটবলের দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দেবে।

কিন্তু পাঁচ বছরের মাথায় তারা শেয়ার ফেরত দিয়েছে ক্লাবের প্রাক্তন মালিক রণবীর কাপুর এবং বিমল পারেখের কাছে, ফলে মুম্বাই সিটি আবারও পুরোপুরি ভারতীয় মালিকানাধীন হলো।

এই পাঁচ বছরে মুম্বাই সিটি মাঠের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে—দুবার আইএসএল লিগ শিল্ড ও আইএসএল কাপ জিতেছে। তবুও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মাঠের সাফল্য ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

 

সিএফজি আইএসএলের অস্থিতিশীলতাকেই বিদায়ের মূল কারণ হিসেবে দেখিয়েছে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লিগের ভবিষ্যৎ খুবই অনিশ্চিত। পরের মৌসুম কখন শুরু হবে, তা কেউ জানে না। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বিশ্বাসী এই গ্লোবাল গ্রুপ এমন পরিস্থিতিতে আর বিনিয়োগ করতে রাজি নয়।

আইএসএল এখন জটিল অবস্থায় পড়ে গেছে। ২০২৫-২৬ মৌসুম গত সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, এআইএফএফ ও বাণিজ্যিক অংশীদার এফএসডিএলের দ্বন্দ্বের কারণে লিগ থমকে আছে। নতুন টেন্ডার আনা হলেও কোনো কোম্পানি লিগ পরিচালনায় আগ্রহ দেখায়নি। ক্লাবগুলো লিগ চালানোর প্রস্তাব দিয়েও ব্যর্থ হয়েছে। ফলে আইএসএল এখন ‘অচলাবস্থা’তে, যেখানে খেলোয়াড় ও বিনিয়োগকারীরা অন্ধকারে পথ খুঁজছে।