NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ | ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইরানকে সহায়তা, রুশ ব্যাংকের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাজ্য কি ভাঙনের পথে? আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবিতে একই মঞ্চে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে, নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থার আহ্বান গুতেরেসের কূটনীতি থমকে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের ট্রাম্পের মেইল-ইন ভোটের বিধিনিষেধ ফের আটকালেন বিচারক রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেট যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল আমি সব সময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি : ট্রাম্প জাভা সাগরে ফেরি উল্টে ৬ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১২৯ যাত্রী একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি, চ্যাম্পিয়ন হয়েও নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিল না ভারতীয় দল ট্রাম্পের ৯/১১ স্মরণ, $৫,০০০ ডিভিডেন্ড প্রস্তাব
Logo
logo

ভারত থেকে বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে ম্যান সিটির মালিকপক্ষ


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:১২ পিএম

ভারত থেকে বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে ম্যান সিটির মালিকপক্ষ

কয়েক দিন ধরে গুঞ্জন চলছিল, শেষ পর্যন্ত তা-ই সত্যি হলো। ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল গ্রুপ (সিটি ফুটবল গ্রুপ বা সিএফজি) মুম্বাই সিটি এফসির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক শেষ করার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতীয় ঘরোয়া ফুটবলে বড় স্বপ্ন নিয়ে প্রবেশ করা সিএফজি মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে সব বিনিয়োগ তুলে নিল।

২০১৯ সালের নভেম্বরে সিএফজি মুম্বাই সিটির ৬৫ শতাংশ মালিকানা কিনেছিল। তখন আশা করা হয়েছিল, বিশ্বমানের এই ক্লাব ভারতের ফুটবলের দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে দেবে।

কিন্তু পাঁচ বছরের মাথায় তারা শেয়ার ফেরত দিয়েছে ক্লাবের প্রাক্তন মালিক রণবীর কাপুর এবং বিমল পারেখের কাছে, ফলে মুম্বাই সিটি আবারও পুরোপুরি ভারতীয় মালিকানাধীন হলো।

এই পাঁচ বছরে মুম্বাই সিটি মাঠের লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে—দুবার আইএসএল লিগ শিল্ড ও আইএসএল কাপ জিতেছে। তবুও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে মাঠের সাফল্য ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

 

সিএফজি আইএসএলের অস্থিতিশীলতাকেই বিদায়ের মূল কারণ হিসেবে দেখিয়েছে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লিগের ভবিষ্যৎ খুবই অনিশ্চিত। পরের মৌসুম কখন শুরু হবে, তা কেউ জানে না। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বিশ্বাসী এই গ্লোবাল গ্রুপ এমন পরিস্থিতিতে আর বিনিয়োগ করতে রাজি নয়।

আইএসএল এখন জটিল অবস্থায় পড়ে গেছে। ২০২৫-২৬ মৌসুম গত সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, এআইএফএফ ও বাণিজ্যিক অংশীদার এফএসডিএলের দ্বন্দ্বের কারণে লিগ থমকে আছে। নতুন টেন্ডার আনা হলেও কোনো কোম্পানি লিগ পরিচালনায় আগ্রহ দেখায়নি। ক্লাবগুলো লিগ চালানোর প্রস্তাব দিয়েও ব্যর্থ হয়েছে। ফলে আইএসএল এখন ‘অচলাবস্থা’তে, যেখানে খেলোয়াড় ও বিনিয়োগকারীরা অন্ধকারে পথ খুঁজছে।