NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

ভারতে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাতে চায় রাশিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ এএম

ভারতে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাতে চায় রাশিয়া

সম্প্রতি ভারতকে ছোট মডুলার রিয়্যাক্টর (এসএমআর) এবং ভাসমান পারমাণবিক কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। ভারত সফরে এসে ভ্লাদিমির পুতিনও বিষয়টি আলোচনায় এনেছেন। খবর বিবিসি’র

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দু’দেশের পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে কথা বলেন পুতিন। 

বৈঠক শেষে পুতিন এক বিবৃতিতে বলেন, রাশিয়া বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—কুদানকুলম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট—নির্মাণে দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করছে। সেখানে ছয়টি রিয়্যাক্টর নির্মাণের পরিকল্পনার মধ্যে দুইটি ইতোমধ্যেই জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। বাকি চারটি ইউনিট নির্মাণাধীন। পুরো প্রকল্প কার্যকর হলে এটি ভারতের স্বল্পব্যয়সী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি চাহিদায় বড় অবদান রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রাশিয়ার পারমাণবিক সহযোগিতার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও পুতিন বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, মস্কো ও দিল্লি এখন ছোট আকারের মডুলার রিয়্যাক্টর, ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানিবহির্ভূত পারমাণবিক প্রযুক্তি—যেমন চিকিৎসাবিজ্ঞান ও কৃষিক্ষেত্রে আইসোটোপ ব্যবহার—নিয়েও আলোচনা করছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ভারতকে ‘নিরবচ্ছিন্নভাবে’ জ্বালানি সরবরাহ দিতে প্রস্তুত আছে মস্কো। তবে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে ভারতের ওপর চাপ রয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ—জ্বালানি কেনার মাধ্যমে মস্কোকে কিয়েভের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে ভারত। এ অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে শাস্তি হিসেবে শুল্ক আরোপ করেছেন।