NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬ | ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘ট্রাম্প প্রশাসন না থাকলে তেল শিল্প ধ্বংস হয়ে যেত’, দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের এবার চেলসিতে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার ‘মুসাফির ক্যাফে’ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, তবু আসছে সিজন ২ তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন মঙ্গলবার ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার গ্রিসে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২ কঙ্গনা আর হৃত্বিকের পুরনো বিরোধে নতুন ডালপালা
Logo
logo

গাজায় যুদ্ধবিরতির পর ইসরাইলি হামলায় ৬৭ শিশু নিহত


খবর   প্রকাশিত:  ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

গাজায় যুদ্ধবিরতির পর ইসরাইলি হামলায় ৬৭ শিশু নিহত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যেই অন্তত ৬৭ শিশুকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরাইল। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এ তথ্য জানিয়েছে। 

শনিবার (২২ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা

শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের মুখপাত্র রিকার্ডো পিরেস জানান, নিহতদের মধ্যে একটি নবজাতক মেয়েশিশুও রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি বাড়িতে ইসরাইলি  বিমান হামলায় হত্যা করা হয়। এর আগের দিনও দখলদার বাহিনীর একাধিক হামলায় আরও সাত শিশু নিহত হয়।

পিরেস বলেন, ‘এগুলো সবই ঘটছে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মধ্যে। চলমান এই ঘটনাপ্রবাহ ভয়াবহ এবং উদ্বেগজনক।’

তিনি আরও বলেন, এগুলো কেবল সংখ্যা নয়, প্রতিটি শিশু ছিল একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন, একটি জীবন নিয়ে, যা অব্যাহত সহিংসতায় মুহূর্তেই নিভে গেছে।’

ইউনিসেফের হিসেবে, গাজায় ইসরাইলি হামলার সবচেয়ে বড় শিকার শিশুরা। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৪ হাজার শিশুর মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

 

 

 

 

অন্যদিকে চ্যারিটি সংগঠন সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, ২০২৪ সালে প্রতি মাসে গড়ে ৪৭৫ জন ফিলিস্তিনি শিশু আজীবনের মতো পঙ্গুত্ব বরণ করছে। এসব শিশুদের অনেকের মস্তিষ্কে আঘাত, আবার কারও সারা শরীরে দগ্ধ ক্ষত রয়েছে। সংগঠনটি বলছে, আধুনিক ইতিহাসে গাজাই এখন সবচেয়ে বেশি শিশুর অঙ্গচ্ছেদের এলাকা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইউনিসেফ মুখপাত্র পিরেস জানান, বহু শিশু খোলা আকাশের নিচে ঘুমাচ্ছে এবং বন্যায় প্লাবিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘গাজার শিশুদের জন্য বাস্তবতা একটাই, আর তা হচ্ছে- তাদের জন্য কোথাও নিরাপদ জায়গা নেই। তাদের এই যন্ত্রণাকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া মানবিকতার পরিপন্থি।’

তিনি আরও বলেন, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে টানা শীতে তাঁবুতে থাকা লক্ষাধিক শিশুর জন্য শীতকাল আরও বড় হুমকি হয়ে সামনে এসেছে।