NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬ | ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী খাবারের ভ্যানে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প! লোহিত সাগরে জাহাজে হুতির হামলায় নিহত ৩ হাইড্রেশন ব্রেক রেখে দিতে চায় ফিফা জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে ১৫ আগস্ট বেলুচিস্তানের স্বঘোষিত স্বাধীনতা দিবস আজ: বিশ্বজুড়ে বেলুচদের নানা কর্মসূচি শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশসহ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়ের শর্তে হরমুজ খোলার ঘোষণা ইরানের বিপুল ক্ষতির মুখে ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’
Logo
logo

মৃত্যুর আগের দিন : সামিরা রুমে ঢুকেই সালমান-শাবনূরকে একসঙ্গে দেখেন


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

মৃত্যুর আগের দিন : সামিরা রুমে ঢুকেই সালমান-শাবনূরকে একসঙ্গে দেখেন

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঢালিউডের কিংবদন্তির এই অকালমৃত্যুর রহস্য আজও উন্মোচিত হয়নি। মৃত্যুর আগের দিন তিনি কিভাবে কাটিয়েছেন, তা নিয়ে রয়েছে দর্শকের মনে অসংখ্য প্রশ্ন।

 

সালমান শাহর মৃত্যুর আগের দিন অর্থাৎ, ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। সেদিন ছিল শুক্রবার। সালমান সারা দিনই ব্যস্ত ছিলেন নতুন ছবি প্রেম পিয়াসীর ডাবিং নিয়ে। কাজ চলছিল এফডিসির সাউন্ড কমপ্লেক্সে।

সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন সহ-অভিনেত্রী শাবনূর। শুটিং স্পটজুড়ে ছিল হাসিঠাট্টা আর খুনসুটিতে ভরা পরিবেশ।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, দুপুরের দিকে সালমান শাহ বাবাকে ফোন করে অনুরোধ করেন তার স্ত্রী সামিরাকে এফডিসিতে নিয়ে আসতে। কিছুক্ষণের মধ্যে শ্বশুর সামিরাকে নিয়ে উপস্থিত হন সাউন্ড কমপ্লেক্সে।

সেখানে ঢুকেই সামিরা দেখেন, সালমান ও শাবনূর ডাবিং রুমে মজা করছেন।

 

সেই সময়ের বিনোদন পত্রিকাগুলোতে দুজনকে নিয়ে প্রকাশিত নানা গুঞ্জন ও লেখা সামিরার মনে ক্ষোভের জন্ম দেয়। তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন এবং কিছুক্ষণ পর দ্রুত এফডিসি থেকে বেরিয়ে আসেন।

সালমানের বাবা চলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। সামিরা গাড়িতে ওঠেন, আর বিষয়টি বুঝতে পেরে সালমান ও পরিচালক বাদল খন্দকারও একই গাড়িতে বসেন।

কিন্তু পুরো পথেই সামিরা সালমানের সঙ্গে কথা বলেননি। বাদল খন্দকার চেষ্টা করেও দুজনের মধ্যে কোনো কথা বলাতে পারেননি।

 

গাড়ি যখন এফডিসির মূল ফটকে পৌঁছায়, সালমান গাড়ি থেকে নেমে পড়েন। বাদল খন্দকারও নামেন। দুজন কিছুক্ষণ আড্ডা দেন গেটের সামনে। তারপর সালমান আবার ডাবিং রুমে ফিরে গেলেও সেদিন আর কাজ হয়নি।

রাত ১১টার দিকে বাদল খন্দকার সালমান শাহকে তার নিউ ইস্কাটন রোডের ফ্ল্যাটে পৌঁছে দেন। তারপরই যেন সবকিছু থেমে যায়। পরদিন সকালেই ছড়িয়ে পড়ে সালমান শাহর মৃত্যুর খবর।

পরিচালক শাহ আলমসহ ঘনিষ্ঠদের ভাষ্য, মৃত্যুর আগের দিনগুলোতে সালমান ছিলেন প্রবল মানসিক চাপে। পারিবারিক টানাপড়েন, প্রযোজকদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, এমনকি এক সময় শিল্পী সমিতির নিষেধাজ্ঞাও তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে।

সালমান শাহ মাত্র চার বছরে ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ঢালিউডে তৈরি করেছিলেন এক অনন্য ইতিহাস। তার মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে সেই রহস্যময় মৃত্যুর তদন্ত আবারও শুরু হচ্ছে।