NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

গাজা গণহত্যায় অভিযুক্ত হয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

গাজা গণহত্যায় অভিযুক্ত হয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানিয়েছেন, তিনি গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ফলে সংঘটিত গণহত্যায় সহায়তার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) অভিযুক্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রাই (আরএআই)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেলোনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।’

এ ছাড়া ইতালির প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান লিওনার্দোর প্রধান রোবের্তো চিনগোলানিকেও বিচারের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন।

এটি প্রথমবারের মতো এমন একটি ঘটনা, যেখানে ইতালির উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে আইসিসিতে অভিযুক্ত করা হলো।

এই যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর।

 

সেই তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং কয়েকটি পশ্চিমা দেশের সরাসরি সমর্থনে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় যে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, তা অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ইতালি ছিল মাত্র তিনটি দেশের একটি যারা ইসরায়েলে ‘প্রধান অস্ত্র’ রপ্তানি করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি বৃহৎ অস্ত্র (যার মধ্যে বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাংক ও বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত) রপ্তানির ৯৯ শতাংশের জন্য দায়ী ছিল।

 

গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিখোঁজ। এ ছাড়া ৪৫৯ জন, যার মধ্যে ১৫৪ শিশু, ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে মারা গেছে।