NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

ফিলিপাইনে মৃত্যু বেড়ে ৭২, পানি বিদ্যুতের তীব্র সংকট


খবর   প্রকাশিত:  ০২ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:১০ এএম

ফিলিপাইনে মৃত্যু বেড়ে ৭২, পানি বিদ্যুতের তীব্র সংকট

ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে মঙ্গলবার রাতে আঘাত হানা ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ জনে দাঁড়িয়েছে বলে দেশটির সিভিল ডিফেন্স সংস্থা জানিয়েছে। ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার তৎপরতা চলছে এবং কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিভিল ডিফেন্স জানায়, ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন আরও ২৯৪ জন।

বুধবারের হিসাবের তুলনায় মৃতের সংখ্যা তিনজন বেড়েছে। সব মৃত্যুই ঘটেছে মধ্য ভিসায়াস অঞ্চলে।

 

অগভীর এই ভূমিকম্পটি মধ্যাঞ্চলের সেবু দ্বীপের উপকূলে রাতে আঘাত হানে। এতে বিদ্যুৎ লাইন, সেতু এবং বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ধসে পড়ে শত বছরেরও বেশি পুরোনো একটি গির্জা।

 

সেবুর এই ভূমিকম্পটি ২০১৩ সালের পর দেশটির সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্প। তখন প্রতিবেশী বোহোল দ্বীপে ৭.২ মাত্রার এক ভূমিকম্পে অন্তত ২২২ জন নিহত হয়েছিল।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ফার্ডিনান্ড মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, মন্ত্রিসভার সদস্যরা সরাসরি ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি করছেন।

 

রয়টার্স বলছে, ফিলিপিন্সের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র সেবুতে ৩৪ লাখ মানুষ বসবাস করে। ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি হচ্ছে সান রেমিজিও। এই শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের সহকারী মেয়র আলফি রেইনেস জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে, বিদ্যুৎ নেই, আর পানির সরবরাহ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তীব্র সংকটে পড়েছে মানুষ।

এই পরিস্থিতিতে খাদ্য, পানি ও ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে জরুরি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, মানুষ ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসছে এবং ভবন ধসে পড়ছে। এমনকি শতবর্ষী একটি গির্জাও ভেঙে পড়েছে। রেইনেস জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে কয়েকজন সান রেমিজিওর একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে বাস্কেটবল খেলছিলেন। ভূমিকম্পে ওই ভবনটি আংশিক ধসে পড়ে। 

উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থানের কারণে ফিলিপাইনে প্রতিবছর ৮০০-রও বেশি ভূমিকম্প হয়।