NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

গাজায় শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা, হামাসকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ এএম

গাজায় শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা, হামাসকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু যৌথভাবে গাজার জন্য একটি নতুন শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। এই পরিকল্পনায় তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক অভিযান বন্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে হামাসকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জীবিত ২০ জন ইসরায়েলি জিম্মি ও নিহতদের মরদেহ ফেরত দিতে হবে। এর বিনিময়ে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে।

বিবিসিকে একটি ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, হামাসের কাছে হোয়াইট হাউজের ২০ দফা প্রস্তাব পৌঁছেছে। এতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, হামাস গাজার শাসনভার গ্রহণ করতে পারবে না এবং ভবিষ্যতে একটি সম্ভাব্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের পথ খোলা থাকবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প একে ‌‘শান্তির ঐতিহাসিক দিন’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, হামাস প্রস্তাব না মানলে যুক্তরাষ্ট্র ‘হামাসকে ধ্বংসের কাজ শেষ করার’ জন্য ইসরায়েলেকে পূর্ণ সমর্থন দেবে। নেতানিয়াহুও একই ভাষায় বলেন, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হলে ইসরায়েল অভিযান চালিয়ে যাবে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পরিকল্পনাকে ‘আন্তরিক ও দৃঢ় প্রচেষ্টা’ বলে স্বাগত জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে মিলে যুদ্ধ বন্ধ, মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া এবং বন্দি বিনিময়ের জন্য কাজ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রের বিদ্যমান অবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে যতক্ষণ না ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহারের শর্ত পূরণ হয়। হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে এবং টানেল ও অস্ত্র কারখানা ধ্বংস করতে হবে।

 

পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ ফেরতের বিনিময়ে ইসরায়েল ১৫ জন নিহত গাজাবাসীর মরদেহ ফেরত দেবে। প্রস্তাবে একটি আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধান কমিটি ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করা হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন ট্রাম্প। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক নেতাও এতে অংশ নেবেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তনিও কোস্টা এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে সকল পক্ষকে সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

পরিকল্পনায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে গাজা পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং ইসরায়েল গাজা দখল বা সংযুক্ত করবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষায়, আমরা মানুষকে গাজায় থাকার উৎসাহ দেব, যেন তারা একটি ভালো ভবিষ্যৎ গড়তে পারে।