NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা শুরু


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য আলোচনা শুরু

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে বলে জানিয়েছেন উভয় দেশের প্রতিনিধিরা। ভারতের ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর এই প্রথম এত উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ ও ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সচিব রাজেশ আগরওয়ালের মধ্যে দিল্লিতে একটি ইতিবাচক বৈঠক হয়েছে। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির পরবর্তী ধাপ নিয়ে আলোচনা হয়।

 

ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়-এর পক্ষ থেকেও এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনায় আলোচনাটি ছিল ইতিবাচক ও ভবিষ্যতমুখী। পারস্পরিক সুবিধাজনক বাণিজ্য চুক্তির দ্রুত সমাপ্তির লক্ষে উভয় পক্ষ তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভারতীয় সরকারি সূত্রগুলোর মতে, এটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির ষষ্ঠ রাউন্ড নয়, বরং পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ আলোচনার প্রাক্কলনমূলক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন দেখা যায়।
জুলাই ৩০ তারিখে, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া থেকে তেল আমদানির কারণে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করে, যা আগস্ট ২৭ থেকে কার্যকর হয়।
ভারত এই শুল্ককে অন্যায্য বলে অভিহিত করেছে এবং প্রশ্ন তুলেছে কেন চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যদিও তারা যথাক্রমে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল ও এলএনজি ক্রেতা।

গত সপ্তাহে একটি ইতিবাচক মোড় লক্ষ্য করা যায় যখন ট্রাম্প বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য বাধাগুলো দূর করতে আলোচনা চলছে। আমি আমার প্রিয় বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে খুব শীঘ্রই কথা বলার অপেক্ষায় আছি। আমি নিশ্চিত, আমাদের দুই মহান দেশের জন্য একটি সফল সমাপ্তি পাওয়া কঠিন হবে না।