NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া ডন-সামিরার সেই ‘অন্তরঙ্গ’ ছবির নেপথ্যে কী?
Logo
logo

জিএসপি প্লাস সুবিধা: ফ্রান্সের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ এএম

জিএসপি প্লাস সুবিধা: ফ্রান্সের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২০২৯ সালের পরও বাংলাদেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি প্লাস বাণিজ্য সুবিধা অর্জনে ফ্রান্স সমর্থন জোগাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুই তার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে গেলে এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ফ্রান্সের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

 

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সুবিধা, উন্নয়ন সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

রাষ্ট্রদূত মাসদুপুই তার মেয়াদকালে পাওয়া অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক পরামর্শ দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করবে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সুবিধা দেশের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার জন্যও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে বৈশ্বিক মনোযোগ ক্রমশ কমছে। তাই এ ইস্যুটি আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালোভাবে তুলে ধরা এবং দ্রুত প্রত্যাবাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ফ্রান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।