NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক: জেলেনস্কিকেও ডাকতে পারে যুক্তরাষ্ট্র


খবর   প্রকাশিত:  ১১ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০৮ এএম

ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক: জেলেনস্কিকেও ডাকতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আগামী শুক্রবার (১৫ আগস্ট) আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির অংশগ্রহণ এখনো নিশ্চিত নয়, যদিও হোয়াইট হাউজ সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচও করেনি।

এনবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের আগে জেলেনস্কিকেও আলাস্কায় আমন্ত্রণের বিষয়টি বিবেচনা করছে হোয়াইট হাউজ। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি এখনো বিবেচনাধীন।

 

এদিকে, শনিবার যুক্তরাজ্যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন ইউরোপীয় নেতারা। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ফিনল্যান্ডের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে জানান—যেকোনো শান্তি আলোচনার আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে এবং আলোচনায় অবশ্যই ইউক্রেনকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

 

এর আগে, ট্রাম্প শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দেন, তিনি পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। তবে সেখানে জেলেনস্কির উপস্থিতির বিষয়ে কোনো উল্লেখ ছিল না।

হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা জানান, পুতিনের অনুরোধে এই বৈঠক মূলত দ্বিপাক্ষিক হলেও, ট্রাম্প উভয় নেতাকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায়ও রাজি আছেন।

ইউরোপীয় নেতারা জানিয়েছেন, পুতিনের প্রস্তাব অনুযায়ী ইউক্রেনকে পূর্বাঞ্চলের পুরো ডনবাস অঞ্চল ছাড়তে হতে পারে—যা রাশিয়া আংশিক দখলে রেখেছে। তবে খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের ভবিষ্যৎ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার বিষয়গুলো এখনো পরিষ্কার নয়।

 

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের নিজস্ব ভাগ্য নির্ধারণের স্বাধীনতা থাকতে হবে। অর্থবহ আলোচনা কেবল যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে হতে পারে। আন্তর্জাতিক সীমানা জোরপূর্বক পরিবর্তন করা যাবে না।

এতে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বিশ্বস্ত ও কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চয়তা অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানানো হয়।

জেলেনস্কি রোববার এক বক্তব্যে বলেন, আমাদের যুক্তি শোনা হচ্ছে, ঝুঁকিগুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এর আগে, তিনি বলেছিলেন, ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব কোনো অবস্থাতেই আলোচনার বিষয় হতে পারে না এবং স্থায়ী শান্তির জন্য কিয়েভের সরাসরি অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

 

 

 

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনকে ছাড়া নেওয়া যেকোনো সিদ্ধান্ত শান্তির বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্ত। ইউক্রেনীয়রা তাদের জমি দখলদারদের হাতে তুলে দেবে না।