NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬ | ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থীদের কাজের অনুমতির জন্য ৭০ হাজার ডলার ফি প্রস্তাব এভিয়েশন হাব গড়তে লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার : বিমানমন্ত্রী ইসলামপন্থীরা ক্ষমতা দখল করতে চাইছে : ট্রাম্প আর্জেন্টিনার জয়, গোল-অ্যাসিস্টে বিদায় রাঙালেন মেসি ৯ সিনেমার রেকর্ড ভাঙল ‘দৃশ্যম ৩’ শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে শি চিনপিংয়ের ‘অস্বাভাবিক বিরতি’! ফ্লাইদুবাই বিমানে হামলাচেষ্টায় ইরান জড়িত বলে ‘ব্যক্তিগতভাবে’ মনে করেন ট্রাম্প নিউইয়র্কে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি, জরুরি অবস্থা ঘোষণা লিজেন্ডস টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়াল পাকিস্তান
Logo
logo

স্থল বাণিজ্য বন্ধ করায় দিল্লিকে চিঠি দেবে ঢাকা : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ২২ মে, ২০২৫, ১০:০৫ এএম

স্থল বাণিজ্য বন্ধ করায় দিল্লিকে চিঠি দেবে ঢাকা : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পণ‍্য আমদানি বন্ধ করায় দিল্লিকে চিঠি দেবে ঢাকা। তবে এখনো দেশটির সঙ্গে সই হওয়া কোনো চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

বুধবার (২১ মে) বিকেলে সাম্প্রতিক ইস্যুতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা জানান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পুশ-ইনের ঘটনায় ভারতকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

তবে দেশটি এখনো চিঠির জবাব দেয়নি। পুশ-ইনের মাধ্যমে কোনো ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে এসে থাকলে তাদের অবশ্যই নিজ দেশে ফেরত যেতে হবে, বলে জানান তিনি।

 

এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দিল্লির সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত আছে এবং আমরা চেষ্টা করছি নিয়মের বাইরে যেন কিছু না ঘটে।’

ভারতের কাছ থেকে কী প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এক দিনের মধ্যে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাবে, এটি আমরা প্রত্যাশা করি না।

তারা তাদের অবস্থান কিছুটা জানিয়েছে। আমরা আমাদের অবস্থান তাদের কাছে ব্যাখ্যা করেছি—এভাবে দেওয়াটা (ঠেলে পাঠানো) ঠিক না। আমরা বলছি যে আমাদের একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর আছে। সেই প্রসিডিওর অনুযায়ী আমরা যাব।
তারা তালিকা দিয়েছে। আমরা সেই তালিকাগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করছি।’

 

ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো পর্যালোচনার বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ছোট ছোট বিভিন্ন চুক্তি বিভিন্ন সময়ে হয়েছে, সমঝোতা স্মারক হয়েছে এবং সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে আপনাদের জানানো হয়েছে— গত অনেক বছরের মধ্যে। তার মধ্যে চুক্তিগুলো দুপক্ষের সম্মতিতে বাতিল করতে হবে, অথবা প্রভিশন থাকে যেকোনো একপক্ষ যদি আপত্তি করে, তবে বাতিল করা যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরা বাতিল কোনোটিই করিনি।

আমরা আসলে চাই যে নিয়ম অনুযায়ী সব কিছু এগিয়ে যাক।’

 

ভারতের সঙ্গে চুক্তিগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এবং আমাদের কোথায় সমস্যা আছে, সেটি চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি এবং সময়মতো সেগুলো ভারতের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানান।

ভারত নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিয়মকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। এখন ইতিবাচকভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, নেতিবাচকভাবেও ব্যাখ্যা করা যায় কখনো কখনো। সব মিলিয়ে আমাদের সেভাবেই এগোতে হচ্ছে। কেউ তো স্বীকার করে না যে সে নিয়মের বাইরে যাচ্ছে।’