NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

তুরস্কে সংঘাত অবসানের সম্ভাবনা, অস্ত্র ত্যাগের ঘোষণা পিকেকের


খবর   প্রকাশিত:  ১২ মে, ২০২৫, ০৮:০৫ পিএম

তুরস্কে সংঘাত অবসানের সম্ভাবনা, অস্ত্র ত্যাগের ঘোষণা পিকেকের

কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে জানিয়েছে, তারা তাদের সশস্ত্র সংগ্রাম বন্ধ করে সংগঠন বিলুপ্ত করতে চলেছে। গোষ্ঠীটির ঘনিষ্ঠ ফিরাত নিউজ এজেন্সির বরাতে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। পিকেকের এই পদক্ষেপের ফলে তুরস্কের সঙ্গে তাদের চার দশকের রক্তক্ষয়ী সংঘাত অবসানের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি ইরাকের উত্তরে অনুষ্ঠিত পিকেকের ১২তম কংগ্রেসের পর এই ঘোষণা এলো। সোমবার (১২ মে) পিকেকের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সংগঠন তার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পূর্ণ করেছে এবং সশস্ত্র সংগ্রামের পথ পরিত্যাগের মাধ্যমে পিকেকের সংগঠন কাঠামো বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এতে আরও জানানো হয়, পিকেকের নামে পরিচালিত সব কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

 

আঞ্চলিক পরিবর্তন

এই পদক্ষেপ এসেছে এমন এক সময়ে, যখন অঞ্চলজুড়ে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে — সিরিয়ায় নতুন প্রশাসন, লেবাননে হিজবুল্লাহর দুর্বলতা এবং গাজায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ চলছে।

বন্দি নেতা আবদুল্লাহ ওজালান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পিকেকের প্রতি অস্ত্র পরিত্যাগের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এরপর গোষ্ঠীটি এক তরফা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও শান্তি আলোচনার জন্য আইনগত কাঠামোর দাবি জানায়।

তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টির মুখপাত্র ওমর চেলিক বলেছেন, এটি ‘যদি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে তা হবে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।’

 

ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত

তবে এই উদ্যোগের বিনিময়ে পিকেকে কী ধরনের ছাড় পেতে পারে — তা স্পষ্ট নয়। অস্ত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া, কারা সেটি তদারকি করবে এবং যোদ্ধাদের ভবিষ্যৎ — এসব বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

তুরস্কের জোট সরকারে থাকা কট্টর ডানপন্থি নেতা দেভলেত বহচেলি এই শান্তি উদ্যোগ চালু করেছিলেন গত অক্টোবর মাসে। তিনি ইঙ্গিত দেন, পিকেকে যদি সহিংসতা পরিত্যাগ করে, তবে ওজালানকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এই প্রক্রিয়াকে বলেছেন ‘সন্ত্রাসের প্রাচীর ভাঙার এক ঐতিহাসিক সুযোগ।’

 

 

 

পিকেকে ১৯৮০-এর দশক থেকে তুরস্কে কুর্দিদের অধিকারের দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে আসছে। এই সংঘাতে কয়েক দশকে প্রাণ হারিয়েছে বহু মানুষ। তুরস্কসহ বহু পশ্চিমা দেশ পিকেকেকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা