NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি: ফের হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তার অর্থ ইউরোপকে ফেরত দিতে হবে: ট্রাম্প ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব : আইরিন খান আমি রাজপরিবারের হলে মেগান আর প্রিন্স হ্যারিকে ফিরিয়ে নিতাম না : ট্রাম্প শান্তিচুক্তির অগ্রগতি হলে পুতিনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসতে চান ট্রাম্প বিশেষ সম্মানে মেসির ক্যারিয়ার উদযাপন করবে আর্জেন্টিনা সব ধরনের প্রচার থেকে আড়ালে যাচ্ছেন আরিয়ানা গ্রান্ডে নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীকে সহায়তা করায় বিচারক গ্রেপ্তার


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:০৪ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীকে সহায়তা করায় বিচারক গ্রেপ্তার


যুক্তরাষ্ট্রের মিলওয়াকি কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক হান্না ডুগানকে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) গ্রেপ্তার করেছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার থেকে বাঁচাতে সহায়তা করায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এফবিআইয়ের মতে, বিচারক ডুগান আদালত প্রাঙ্গণে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে অভিযুক্ত এদুয়ার্দো ফ্লোরেস-রুইজকে পালাতে সহায়তা করেন।

কাশ প্যাটেল এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বিচারক ডুগান ইচ্ছাকৃতভাবে এজেন্টদের ভুল পথে পরিচালিত করেন, যাতে অবৈধ অভিবাসী এদুয়ার্দো ফ্লোরেস-রুইজ পালাতে পারেন। আমাদের এজেন্টরা পরে তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেললেও বিচারকের এই বাধাদান জনসাধারণের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।’

এ বিষয়ে একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ডুগানের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে—একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এড়াতে সাহায্য করা এবং ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাজে বাধা দেওয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল সার্ভিসের মুখপাত্র ব্র্যাডি ম্যাক্যারন জানিয়েছেন, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় বিচারক ডুগানকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ফেডারেল মার্শালদের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বিচারকদের আচরণ ও ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগে সহযোগিতা না করা নিয়ে কড়াকড়ি নজরদারির অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।