NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ | ২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮৭৮০ কোটি টাকা রাশিয়াকে চাপে ফেলতে নিষেধাজ্ঞা বিল পাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃতি রক্ষা করতে গিয়ে সর্বাধিক প্রাণহানি কলম্বিয়া ও ব্রাজিলে চার্লস বলেছিলেন ‘ডায়ানাকে ভুলে যাব’, স্মৃতিকথায় স্পেন্সার ফিরছে ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’ মক্কার কাছে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদি আরবের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫.৬৫ শতাংশ এআই, ড্রোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে সন্ত্রাসীরা, সতর্ক জাতিসংঘ রাশিয়ায় সামরিক ড্রোন তৈরিতে উত্তর কোরীয় শ্রমিক: এমএসএমটি বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
Logo
logo

সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিনের সঙ্গে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩৭ এএম

সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিনের সঙ্গে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৪ এপ্রিল (শুক্রবার) ব্যাংককের শাংরি-লা হোটেলে থাইল্যান্ডের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থাকসিন শিনাওয়াত্রার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ইউনূস তার পুরোনো বন্ধু ও ২০০৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে থাকসিনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

 

৫ এপ্রিল (শনিবার) প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।

২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই থাকসিন বাংলাদেশ ও গ্রামীণ ব্যাংক সফর করেন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ মডেল থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে থাইল্যান্ডে একটি ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি চালু করেন। সে বছরই এই কর্মসূচির জাতীয় উদ্বোধনে অধ্যাপক ইউনূস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

 

তারা চিয়াংমাই-চট্টগ্রাম বিমান রুট পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন, যা একসময় বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ভ্রমণের সময় মাত্র এক ঘণ্টায় নামিয়ে এনেছিল। থাকসিন স্মৃতিচারণ করে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে তিনি সেই প্রথম ফ্লাইটে চট্টগ্রাম থেকে চিয়াংমাই যাত্রা করেছিলেন।

অধ্যাপক ইউনূস ও থাকসিন পারস্পরিক আগ্রহের অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের আসিয়ানের সদস্যপদ অর্জনের পরিকল্পনায় থাকসিনের সমর্থন চান।

তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় থাই-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে অবদানের জন্য থাকসিনকে ধন্যবাদ জানান।

 

এছাড়া, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ও সেই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার মূল্যবান সহায়তা কামনা করেন।

সাক্ষাতে তারা বৈশ্বিক বাণিজ্য ইস্যু, থাইল্যান্ডের গ্রামীণ অঞ্চলে ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা করেন।

 

বাংলাদেশ সরকারের সিনিয়র সচিব ও এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন।