NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬ | ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী পুতিনের ৭৪তম জন্মদিনে কিমের শুভেচ্ছা ‘তেলের বাজারও বোঝে আপনি মিথ্যা বলছেন’, ট্রাম্পকে আইআরজিসি কর্মকর্তা মেসির বিদায়ে আবেগঘন বার্তা পূর্ণিমা-পরীমনিদের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন আইনি বিষয়: ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থীদের কাজের অনুমতির জন্য ৭০ হাজার ডলার ফি প্রস্তাব এভিয়েশন হাব গড়তে লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার : বিমানমন্ত্রী ইসলামপন্থীরা ক্ষমতা দখল করতে চাইছে : ট্রাম্প আর্জেন্টিনার জয়, গোল-অ্যাসিস্টে বিদায় রাঙালেন মেসি
Logo
logo

গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনে সাবেক সেনাপ্রধানের সাড়ে তিন ঘণ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩৪ এএম

গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনে সাবেক সেনাপ্রধানের সাড়ে তিন ঘণ্টা

গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের আহ্বানে তাদের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। সেখানে তিনি প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ছিলেন।

গুমসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কমিশনের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত এই সেনা কর্মকর্তা।

 

বুধবার (১৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য তুলে ধরেন সাবেক এই সেনাপ্রধান।

জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া তার স্ট্যাটাসে বলেন, আমার কর্ম অভিজ্ঞতা থেকে কিছু লেখা সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওই লেখাগুলো রাষ্ট্র, সমাজ ও সংস্থার বিভিন্ন অংশের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেই পটভূমিতে অনেক ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এর বিভিন্ন দিক ও বিষয়ে জানার আগ্রহ জন্মেছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ‘গুমসংক্রান্ত কমিশন ফর ইনকোয়ারি’ আজ বেলা ১১টায় গুলশানে অবস্থিত তাদের কার্যালয়ে আমাকে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল।

 

সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, তদন্ত কমিশনের ডাকে সাড়া দিয়ে আমি যথাসময়ে সেখানে যাই এবং কমিশন বিভিন্ন বিষয়ে আমার কাছে বিস্তারিত জানতে চায়। আমার স্মৃতিতে থাকা বিষয়গুলো তাদের জানাই। কমিশনের নানান জিজ্ঞাসা ও প্রশ্নের জবাব দেই। জাতীয় প্রয়োজনে গঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই কমিশনের কার্যক্রম অধিকতর ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে আমার সঙ্গে তাদের আলোচনা ৩ ঘণ্টা ২৩ মিনিট স্থায়ী হয়। দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে আলোচনা শেষ হয়।

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া আরও লেখেন, বিগত বছরগুলোতে জ্ঞাত বা অজ্ঞাত স্থানে বলপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান ও তাদের শনাক্ত করা এবং কোন পরিস্থিতিতে গুম হয়েছিলেন, তা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। সেই উদ্দেশ্যে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যসহ কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকা তথ্য ও প্রমাণাদি সরবরাহ করে গুমসংক্রান্ত কমিশনের কার্যক্রমকে বেগবান করা আমাদের সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য। আর তা যথাযথভাবে পালন করা গেলেই কেবল ভবিষ্যতে মানবতাবিরোধী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

 

ফেসবুকের স্ট্যাটাসে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে বিশ্বাস করি, ‘গুমসংক্রান্ত কমিশন ফর ইনকোয়ারি’র এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সহযোগিতার জন্য এ কাজে জড়িত সব পক্ষ, ব্যক্তি ও চাকরিরত বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসা উচিত। গুম ও অপহরণসংক্রান্ত যেসব মানবতাবিরোধী অপরাধ দেশে সংঘটিত হয়েছে, এর সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে যে যেখানে যতটুকুই জানেন, তা এই কমিশনকে অবহিত করা দরকার।