NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি
Logo
logo

সীমিত সংস্কারে সম্মত হলে ডিসেম্বরে অন্যথায় আগামী বছরে নির্বাচন -প্রধান উপদেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩২ এএম

সীমিত সংস্কারে সম্মত হলে ডিসেম্বরে অন্যথায় আগামী বছরে নির্বাচন -প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যদি রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের আগে সীমিত সংস্কারে সম্মত হয়, তাহলে ভোট ডিসেম্বরেই হতে পারে, অন্যথায় আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা রাইট টু ফ্রিডমের প্রেসিডেন্ট ও নির্বাহী পরিচালক, সাবেক মার্কিন কূটনীতিক উইলিয়াম বি. মিলাম এবং জন ড্যানিলোভিচ রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে এ কথা বলেন তিনি।

 

ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস জানান, ছয়টি কমিশনের সুপারিশের আলোকে চলমান সংলাপ শেষ হলে রাজনৈতিক দলগুলো ‌‘জুলাই চার্টার’ সই করবে। জুলাই চার্টার আমাদের পথ দেখাবে। অন্তর্বর্তী সরকার এ চার্টারের কিছু সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে, বাকিগুলো রাজনৈতিক সরকার বাস্তবায়ন করবে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট, মিয়ানমারের শরণার্থীদের জন্য কমে আসা আন্তর্জাতিক সহায়তা, আগের সরকারের সময় লুট হওয়া বিলিয়ন ডলার উদ্ধারের প্রচেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
 

সাক্ষাৎকালে এ দুই কূটনীতিক প্রধান উপদেষ্টাকে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য সহায়ক রাইট টু ফ্রিডমের কর্মকাণ্ড এবং বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন।

এসময় অধ্যাপক ইউনূস মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রচারে তাদের প্রচেষ্টা এবং সংস্থার কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।

১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অ্যাম্বাসেডর মিলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান দেশকে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দিয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক পরিবর্তনের দ্বার উন্মুক্ত করেছে।

 

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সাবেক উপ-রাষ্ট্রদূত জন ড্যানিলোভিচ বলেন, বাংলাদেশে ইতিবাচক বর্ণনা (ন্যারেটিভ) প্রচার এবং ভুয়া সংবাদ ও ভুল তথ্যের (ডিসইনফরমেশন) বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।