NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি
Logo
logo

ড. ইউনূস ও তার মেয়েকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে ফের ভুয়া খবর


খবর   প্রকাশিত:  ২০ মার্চ, ২০২৫, ০৩:৪২ এএম

ড. ইউনূস ও তার মেয়েকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে ফের ভুয়া খবর

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া ডট কম বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও তার মেয়ে মনিকা ইউনূস নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি মিথ্যা এবং প্রধান উপদেষ্টা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ভারতীয় প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইনের অংশ বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংস ফ্যাক্টস। 

ইন্ডিয়া টুডের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ভূমিকা রেখেছেন ড. ইউনূস। তিনি সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ফাউন্ডেশনে ৩ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছিলেন।

 

 

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, হিলারির সঙ্গে ইউনূসের এই বন্ধুত্বের ফলে বাইডেন প্রশাসনে চাকরি পেয়েছিলেন ড. ইউনূসের কন্যা মনিকা। এছাড়া, ক্লিনটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে সম্পর্কের সূত্র ধরে বড় অংকের ঋণ পেয়েছিলেন ড. ইউনূস। এসব কারণে ড. ইউনূসের ওপর তদন্ত করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন।   

তবে এসব তথ্যের কোনোটিই সঠিক নয় উল্লেখ করে সিএ প্রেস উইংস ফ্যাক্টস জানিয়েছে, প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ভারতীয় প্রোপাগান্ডার অংশ।

তিনি হিলারি ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে কোনো অর্থ দান করেননি। তার মেয়ে মনিকা ইউনূস বাইডেন প্রশাসনে চাকরি করেননি।  

 

প্রেস উইংস ফ্যাক্টস আরো জানিয়েছে, হিলারি ক্লিনটন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন অধ্যাপক ইউনূসের কোটি কোটি ডলার ঋণ নেওয়ার তথ্যটি মিথ্যা। এছাড়া পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণ চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তেও ড. ইউনূস কোনো ভূমিকা রাখেননি।

 

এর আগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশ ছেড়ে প্যারিসে পাড়ি জমিয়েছেন বলে গুজব ছড়ায় ভারতীয় গণমাধ্যম রিপাবলিক বাংলা। তারও আগে প্রধান উপদেষ্টার শারীরিক অসুস্থ্যতা নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম।