NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
Logo
logo

থাইল্যান্ডে নেওয়া হলো জুলাই আন্দোলনে আহত আশরাফুলকে


খবর   প্রকাশিত:  ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ০৮:২৪ এএম

থাইল্যান্ডে নেওয়া হলো জুলাই আন্দোলনে আহত আশরাফুলকে

জুলাই বিপ্লবে আহত সিএনজি চালক আশরাফুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে আশরাফুলকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছে। এই নিয়ে ১৩ জনকে বিদেশে নেওয়া হলো। এর মধ্যে দুজনকে সিঙ্গাপুরে, বাকিদের থাইল্যান্ডে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. হুমায়ন কবীর হিমু এ তথ্য জানিয়েছেন।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারের নির্মমতা ব্যথিত করে আশরাফুলকে। নিজেকে ঘরে রাখতে পারেননি। সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালানোর পাশাপাশি আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন তিনি। গত ৫ আগস্ট মিরপুর ১০ নাম্বারে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নেন। সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ করে তার মাথায় এসে গুলি লাগে। পড়ে যান রাস্তায়। রক্তে ভেসে যায় রাস্তা। কয়েকজন তাকে নিয়ে আসেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। ভর্তি হন ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন তালুকদারের অধীনে। তাকে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন তারা। দ্রুত নেওয়া হয় অপারেশন থিয়েটারে। অপারেশন করে মাথার খুলি খুলে রাখা হয়। তারপর তাকে আইসিইউতে শিফট করা হয়। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। দীর্ঘ দুই মাস লাইফ সাপোর্টে থাকে আশরাফুল। তবে চিকিৎসকদের এত চেষ্টার পরও আশরাফুল সুস্থ হয়ে ওঠেনি। চার হাত-পা অবশ হয়ে যায় তার। জ্ঞান ফেরেনি পুরোপুরি। মাঝে মাঝে চোখ মেলে তাকায় সে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে বলে ভেজিটেটিভ স্টেট।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মাঝে লাইফ সাপোর্ট ছাড়াই চলতে পারত সে। কিন্তু জ্ঞান ফিরেনি পুরোপুরি। গত ১৪ ডিসেম্বর তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। দুটো ফুসফুসই আক্রান্ত হয়। সাথে রক্তচাপ কমে যেতে থাকে। আবার লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয় আশরাফুলকে। ৩ বার তাকে নিয়ে বোর্ড মিটিং করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর রাখছিলেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। কিন্তু মেডিকেল বোর্ড তাকে বিদেশে নেওয়ার সুপারিশ করেনি। গত ৫ জানুয়ারি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা আবার মেডিকেল বোর্ড করার নির্দেশ দেন। এ পর্যায়ে বোর্ড বিদেশে নেওয়ার পক্ষে মত দেয়।

সে অনুযায়ী আশরাফুলকে বিদেশে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় আশরাফুল ও তার স্ত্রীর পাসপোর্ট নাই। দ্রুত তাদের পাসপোর্ট করার ব্যবস্থা করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুল হাসান। মন্ত্রণালয়ে টাকার ব্যবস্থা করা, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের করা হয় দ্রুত। মাত্র ৩ দিনের মধ্যে সব কাজ শেষ করে আজ রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডের ভেজথানি হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে তাকে।