NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২৬ | ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয় ও কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নাভি পিল্লের নোবেল জয়ের পরপরই আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারিয়া শ্রমিক লীগ সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকনের জানাজা সম্পন্ন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জোরদার যুক্তরাষ্ট্রের, কার্যক্রম বন্ধের হুঁশিয়ারি ১০ অক্টোবর মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-স্পেন, নারী ফুটবলে হাইভোল্টেজ ফ্রেন্ডলি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী পুতিনের ৭৪তম জন্মদিনে কিমের শুভেচ্ছা ‘তেলের বাজারও বোঝে আপনি মিথ্যা বলছেন’, ট্রাম্পকে আইআরজিসি কর্মকর্তা মেসির বিদায়ে আবেগঘন বার্তা পূর্ণিমা-পরীমনিদের
Logo
logo

মেয়াদ বাড়ল প্রথম ধাপের ৬ সংস্কার কমিশনের


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১২:২২ এএম

মেয়াদ বাড়ল প্রথম ধাপের ৬ সংস্কার কমিশনের

রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত ছয় সংস্কার কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি কমিশনের মেয়াদ ১৫ জানুয়ারি এবং বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের মেয়াদ ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদের সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রথম ধাপে গত অক্টোবরে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও সংবিধান সংস্কার কমিশন ও বিচার সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। ৯০ দিনের মধ্যে এসব কমিশনকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।

মেয়াদ বাড়ানো প্রসঙ্গে বিচার সংস্কার কমিশনের সদস্য সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং সুপ্রিম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম সমকালকে বলেন, বিচার বিভাগ সংস্কারে ইস্যু অনেক। প্রতিবেদন তৈরির জন্য চার মাস সময় দেওয়া হলেও সেটি যথেষ্ট নয়। এরপরও আমাদের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। পুরো কাজ সম্পন্ন করার জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে ৩০ দিন সময় চাওয়া হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কমিশনের মেয়াদ ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

নির্বাচন ব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছিল ৩ অক্টোবর। এই পাঁচ কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। সে হিসাবে গত বৃহস্পতিবার তাদের প্রতিবেদন জমার কথা ছিল। আর সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল ৬ অক্টোবর। ৫ জানুয়ারির মধ্যে এ কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল।

গত ৪ নভেম্বর প্রথম ধাপের ছয় কমিশনের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে কমিশনগুলোর কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হয়।

ছয়টি কমিশন ওয়েবসাইট খুলে মতামত সংগ্রহ, অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, মতবিনিময়, জরিপ ও লিখিতভাবে মতামত সংগ্রহ করেছে। সুপারিশমালা প্রস্তুতে এসব প্রস্তাব ও মতামত পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। অন্যদিকে গত ১৮ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে গঠন করা হয় গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য, শ্রম, নারী বিষয়ক ও স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। এই কমিশনগুলোকে প্রতিবেদন দিতে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।