NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
Logo
logo

এস আলমপুত্র ও সাধন চন্দ্রের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা


খবর   প্রকাশিত:  ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৫:৪৩ পিএম

এস আলমপুত্র ও সাধন চন্দ্রের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে এক হাজার ৯২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমের ছেলে আহসানুল আলমসহ ৫৮ বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একইসঙ্গে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সংস্থাটি। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ ও  ঢাকা-১ এ মামলাগুলো করা হয়। 

আহসানুল আলমের মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে মুরাদ এন্টারপ্রাইজের নামে এই টাকা ঋণ নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

মুরাদ এন্টারপ্রাইজের মালিক গোলাম সারওয়ার চৌধুরী এস আলম গ্রুপের বেতনভুক্ত কর্মচারী। আসামি আহসানুল আলমের নেতৃত্বে শুধু ব্যাংকটির চট্টগ্রামের চাক্তাই শাখা থেকে তিন বছরে ওই অর্থ লোপাট করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে ২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ব্যাংক হিসাবে ৪৩ কোটি টাকা অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে  মামলাটি দায়ের করা হয়।

জানা গেছে, ২০১৮ সালে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হওয়ার পর সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। তার নির্বাচনী এলাকায় মানুষের মুখে মুখে ধান ব্যবসায়ী হয়েও অঢেল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসতে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, বেসরকারি নিয়োগ বাণিজ্য, স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানে ঠিকাদারি, খাসজমি দখল, খাসপুকুর দখল. নিয়োগ বাণিজ্য, জায়গা জমির কেনাবেচা, সরকারি কাজের ঠিকাদারি কমিশন বাণিজ্য তাকে এমন সম্পদ গড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। নামে-বেনামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদও গড়েছেন।