NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
Logo
logo

স্ত্রী-শ্যালিকসহ সাবেক এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট


খবর   প্রকাশিত:  ১০ মার্চ, ২০২৫, ০৮:৩৮ এএম

স্ত্রী-শ্যালিকসহ সাবেক এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রায় ১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৩১৮ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগ এনে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সাবেক এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সাবেক এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক। ওই মামলা আসামিদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। মামলার বাদী ছিলেন উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন। 

 

তবে তদন্তে অবৈধ সম্পদ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে টাকার পরিমাণ বেড়েছে। তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৮ হাজার ৩২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ২০১২ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত অস্বাভাবিক ও সন্দেহভাজন ৩১৮ কোটি ২৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে জানা যায়। 

 

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তা ভোগ দখলে রাখার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।