NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
Logo
logo

পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট রামোস হোর্তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানালেন ড. ইউনূস


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৫:৪০ পিএম

পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট রামোস হোর্তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানালেন ড. ইউনূস

চার দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাত সা‌ড়ে ১০টার পর সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় এসে পৌঁছান তিনি।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হোর্তাকে স্বাগত জানান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিমানবন্দরে পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্টকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।

 

প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে ঢাকায় এসেছেন তিনি। বাংলাদেশে দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ে এটি প্রথম সরকারি সফর। 

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) রামোস হোর্তার সফর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন বলেন, এই সরকারি সফরে রামোস হোর্তা বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির মুখ্য উপদেষ্টাসহ সরকারী কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

 

স্বাধীনতা লাভের পরপর ২০০২ সালের ৭ জুন বাংলাদেশ পূর্ব তিমুরকে স্বীকৃতি প্রদান করে, যার মধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। দেশটির স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনী যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটিতে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশটির জনগণ আজও বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলে পররাষ্ট্র সচিব জানান।

 

পররাষ্ট্র সচিব জানান, তিমুর লেস্তের রাষ্ট্রপতির এই সরকারি সফরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব বিষয়ে চুক্তি হতে পারে সেগুলো হচ্ছে— (ক) অফিসিয়াল এবং কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের জন্য পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি এবং (খ) দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পরামর্শমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক। এই সফরকালে বাংলাদেশে পূর্ব তিমুরে অনারারি কনস্যুলেট খোলার বিষয়েও ঘোষণা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।