NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
Logo
logo

হয়রানিমূলক মামলা ও গ্রেফতার ঠেকাতে সজাগ পুলিশ: অতিরিক্ত কমিশনার


খবর   প্রকাশিত:  ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ০১:৫৪ এএম

হয়রানিমূলক মামলা ও গ্রেফতার ঠেকাতে সজাগ পুলিশ: অতিরিক্ত কমিশনার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মো. শওকত আলী বলেছেন, হয়রানিমূলক মামলা এবং গ্রেফতার যাতে না হয় সেজন্য আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) মিরপুর মডেল থানা এলাকার মিরপুর শপিং কমপ্লেক্সে পুলিশ, ছাত্র-জনতা ও সম্মানিত নাগরিকদের সমন্বয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, আমরা সবাই এ মাটির সন্তান, দেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার। জনগণ পুলিশের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশকে গড়ার প্রত্যয়ে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। পুলিশ প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত। জনগণের সেবা করার জন্যই আমরা প্রশিক্ষণ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের দেশপ্রেম যে কত শক্ত তার প্রমাণ আমরা এরই মধ্যেই পেয়েছি, কেননা ৫ আগস্টের পর যখন আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছিল তখন সাধারণ মানুষই পাশে দাঁড়িয়েছিল। নতুন বাংলাদেশে আমরা আপনাদের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখতে চাই। এক্ষেত্রে স্বাভাবিক পুলিশিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। পুলিশ ও জনগণ পাশাপাশি কাজ করলে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা অনেক সহজ হয়।

 

হয়রানিমূলক মামলা ও গ্রেফতার ঠেকাতে সজাগ পুলিশ: অতিরিক্ত কমিশনার

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, মিরপুর এলাকায় মাদক নির্মূলের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের এলাকায় ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। হকার, ভ্যানগাড়ির জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণের কাজ চলছে যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে দীর্ঘ যানজট কমানো যায়। হয়রানিমূলক মামলা এবং গ্রেফতার যাতে না হয় সেজন্য আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি। তবে প্রকৃত অপরাধীরা কোনো অবস্থাতেই ছাড় পাবে না।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছাত্র-জনতা ও মিরপুর থানা এলাকার সম্মানিত নাগরিকরা অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের কাছে তাদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

 

মিরপুর থানা এলাকার বিশিষ্ট নাগরিক মুন্সী বজলুল বকশী বলেন, আমি পুলিশকে ধন্যবাদ দিতে চাই। কারণ পুলিশ অনেকটা ধ্বংসস্তুপের মধ্যেই থানাগুলোর দায়িত্ব নেয় এবং আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের কাজ দ্রুত শুরু করে। এলাকাভিত্তিক এ যে মতবিনিময় সভা শুরু হল এটি একটি অভূতপূর্ব উদ্যোগ। এর ফলে পুলিশের জনসম্পৃক্ততা বাড়ছে।

সভায় উপস্থিত মোকলেছুর রহমান বলেন, পুলিশ আমাদের ভাই। যারা থানায় নতুন যোগ দিয়েছেন তাদের কাছে মিরপুর এলাকা অপরিচিত। তাই আমাদের সবার উচিত পুলিশকে যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা।

 

মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাকছেদুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় মিরপুর বিভাগের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ছাত্র আন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।