NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর? বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র
Logo
logo

পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে সিঙ্গাপুরের সহায়তা চান প্রধান উপদেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৪:৪৬ এএম

পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে সিঙ্গাপুরের সহায়তা চান প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ পুনরুদ্ধার এবং অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য অভিবাসন ব্যয় কমাতে সহায়তা প্রদানের জন্য সিঙ্গাপুরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ রবিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার ডেরেক লো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ একথা বলেন।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় অধ্যাপক ইউনূস রাষ্ট্রদূত লো’কে বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরসহ অনেক দেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে। এগুলো ফেরত আনতে আমাদের সিঙ্গাপুরের পূর্ণ সহযোগিতার প্রয়োজন।

’ এ সময় রাষ্ট্রদূত লো প্রধান উপদেষ্টাকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

 

 

অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর লক্ষ্যে ঢাকার সঙ্গে কাজ করার জন্যও সিঙ্গাপুরের প্রতি আহ্বান জানান। 

তিনি জানান, প্রবাসীরা যেন তাদের পরিবারের কাছে আরো বেশি অর্থ পাঠাতে পারে সে লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার অভিবাসনের ব্যয় কমিয়ে আনতে চায়। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমরা সিঙ্গাপুরের সঙ্গে নিয়োগের খরচ কমানোর জন্য একটি মডেল কাঠামো তৈরি করতে পারি।

’ 

 


 

হাইকমিশনার এ বিষয়ে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখান। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরও নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে অবৈধ অর্থ আদান-প্রদান রোধ করতে আগ্রহী। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে বৈদেশিক নিয়োগ ব্যবস্থা ডিজিটালাইজ করার পরামর্শ দেন যাতে করে মানব পাচার ও শ্রমিক শোষণের আশঙ্কা কমে যায়।

সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা ও হাইকমিশনার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা, অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রনীতি, শিপিং, শিক্ষা ও নিজ নিজ জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও আলোচনা করেন।