NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬ | ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ সুইজারল্যান্ডে নতুন দফা আলোচনা, ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণে আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮ আবার কেপ ভার্দের চমক, এবার উরুগুয়ের জালে ২ গোল
Logo
logo

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সত্যতা পায়নি পুলিশ


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:২২ এএম

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সত্যতা পায়নি পুলিশ

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম লিমিটেড থেকে ১০ কোটি ৩১ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আটজনের জড়িত থাকার সত্যতা পায়নি পুলিশ।

অভিযোগের সত্যতা না থাকায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কোতোয়ালি জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. সাজ্জাদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের শাহবাগ থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখায় এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। আগামী ২৭ নভেম্বর এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

 

এ মামলায় অন্য যাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে তারা হলেন তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ওবায়দুল্লা খন্দকার, কামরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম শোয়েব বাশুরী ওরফে হাবলু, আজিজুল করিম তারেক ও মনিজুর রহমান ওরফে মানিক। 

পুলিশের অব্যাহতির আবেদনে উল্লেখ করা হয়, খায়রুল বাশার ২০০৭ সালের ৩০ জুন দরখাস্ত মারফত মামলার এজাহারে বর্ণিত চাঁদার টাকার পরিমাণ ভুল উল্লেখ করে তা সংশোধনের জন্য আবেদন করেন। ২০০৯ সালের ৭ মে তিনি নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য হলফনামা সম্পাদন করেন, যাতে তিনি উল্লেখ করেন যে বিশেষ মহলের চাপে বাধ্য হয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। 

এজাহারভুক্তদের বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই এবং তিনি মামলা পরিচালনা করতে ইচ্ছুক নন।

পরবর্তীতে তদন্তকালে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার হলফনামায় বর্ণিত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান যে তখনকার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপে পড়ে তিনি মামলাটি করেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং এজাহারনামীয় অপরাপর আসামিদের তিনি চিনতেন না। এজাহারে বর্ণিত চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি।

 

অব্যাহতির আবেদনে আরো বলা হয়, ‘মামলার এজাহারনামীয় অন্য আসামিরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তারেক রহমানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বাদী খায়রুল বাশারকে চাপ প্রয়োগ করে এই মামলা করতে বাধ্য করা হয় মর্মে তদন্তে জানা যায়। তদন্তে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণে মামলার ঘটনাটি দণ্ডবিধি আইনের ৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭ ধারামতে তথ্যগত ভুল বলে প্রমাণিত হয়। সব আসামিকে অত্র মামলার দায় হতে অব্যাহতি দানের জন্য প্রার্থনা করা হলো।’

 

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ৯ এপ্রিল চাঁদাবাজির অভিযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক খায়রুল বাশার বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা করেন। মামলায় তারেক রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়।